মুদি দোকানের সামনে ছিল সাদা বস্তা, খুলতেই মিললো ককটেল-পেট্রোল বোমা

নওগাঁর বদলগাছীতে মুদি দোকানের সামনে থেকে ৬টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঝাড়ঘগিয়া গ্রামে সম্পদ নামে এক ব্যবসায়ীর মুদি দোকানের সামনে থেকে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে টহলরত অবস্থায় বদলগাছী-আক্কেলপুর আঞ্চলিক সড়কের ঝাড়ঘগিয়া এলাকায় সড়কের পাশে একটি সাদা বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন র‍্যাবের সদস্যরা। পরে র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তার ভেতর থেকে ৬টি ককটেল এবং চারটি কাঁচের বোতল উদ্ধার করে। এসব বোতলে পেট্রোল বোমা তৈরির সরঞ্জাম রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে ককটেলগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে বিশেষ কৌশলে নিষ্ক্রিয় করা হয়। বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বিস্ফোরক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ককটেলগুলো সক্রিয় অবস্থায় ছিল। দ্রুত নিষ্ক্রিয় করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এসব বিস্ফোরক কেন সেখানে রাখা হয়েছিল

মুদি দোকানের সামনে ছিল সাদা বস্তা, খুলতেই মিললো ককটেল-পেট্রোল বোমা

নওগাঁর বদলগাছীতে মুদি দোকানের সামনে থেকে ৬টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঝাড়ঘগিয়া গ্রামে সম্পদ নামে এক ব্যবসায়ীর মুদি দোকানের সামনে থেকে এসব বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে টহলরত অবস্থায় বদলগাছী-আক্কেলপুর আঞ্চলিক সড়কের ঝাড়ঘগিয়া এলাকায় সড়কের পাশে একটি সাদা বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন র‍্যাবের সদস্যরা। পরে র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তার ভেতর থেকে ৬টি ককটেল এবং চারটি কাঁচের বোতল উদ্ধার করে। এসব বোতলে পেট্রোল বোমা তৈরির সরঞ্জাম রাখা হয়েছিল।

মুদি দোকানের সামনে ছিল সাদা বস্তা, খুলতেই মিললো ককটেল-পেট্রোল বোমা

খবর পেয়ে দুপুর ১২টার দিকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে ককটেলগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে বিশেষ কৌশলে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বিস্ফোরক উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ককটেলগুলো সক্রিয় অবস্থায় ছিল। দ্রুত নিষ্ক্রিয় করায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এসব বিস্ফোরক কেন সেখানে রাখা হয়েছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

আরমান হোসেন রুমন/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow