মুন্সিগঞ্জে গৃহবধূ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে কুলসুম বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন। প্রায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নামস মো. সুমন হোসেন ওরফে সুমন শেখ। তিনি উপজেলার পূর্ব হাসাড়গাঁও এলাকার বাসিন্দা। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি নিখোঁজ হন পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ের কুলসুম বেগম। এরপরে নিখোঁজের ১৯ দিন পর একই এলাকার একটি পতিত জমি থেকে তার কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা আলামত দেখে কঙ্কালটি কুলসুমের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তার ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি পিবিআই মুন্সিগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়। পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, কুলসুমের ছেলে কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে সুমন বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া এবং ঋণে

মুন্সিগঞ্জে গৃহবধূ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে কুলসুম বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারক শরীফুল আলম ভূঁইয়া এ রায় দেন। প্রায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণ শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নামস মো. সুমন হোসেন ওরফে সুমন শেখ। তিনি উপজেলার পূর্ব হাসাড়গাঁও এলাকার বাসিন্দা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি নিখোঁজ হন পূর্ব হাসাড়গাঁওয়ের কুলসুম বেগম। এরপরে নিখোঁজের ১৯ দিন পর একই এলাকার একটি পতিত জমি থেকে তার কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা আলামত দেখে কঙ্কালটি কুলসুমের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তার ছেলে কামরুল হাসান অয়ন বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি পিবিআই মুন্সিগঞ্জে হস্তান্তর করা হয়।

পিবিআইয়ের তদন্তে জানা যায়, কুলসুমের ছেলে কামরুলকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে সুমন বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ টাকা নেন। পরে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া এবং ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে ১৭ জানুয়ারি কুলসুমকে অনাবাদি জমিতে ডেকে নিয়ে ধারালো দা দিয়ে হত্যা করেন সুমন। পরে মরদেহ ঘাসের স্তূপের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সুমনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

রায়ের পর মামলার আইনজীবী ও সাবেক পিপি মো. হালিম হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে তারা সন্তুষ্ট ও খুশি।

অন্যদিকে নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী কামরুল হাসান অয়ন বলেন, ‘আমরা আসামির ফাঁসির আদেশ আশা করেছিলাম। তবে আদালতের রায়কে আমরা সম্মান করি।’

শুভ ঘোষ/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow