মুন্সিগঞ্জে তিন ইটভাটার মালিককে জরিমানা

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনটি ইটভাটাকে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার লতব্দী ও বালুচর ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ। অভিযান চলাকালে মেসার্স খোশাল মাদবর ব্রিকস, মেসার্স সামাদ ব্রিকস এবং ইকোসিরামিক্স লিমিটেড নামের তিনটি ইটভাটায় বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই কৃষিজমির উপরিস্তরের মাটি ব্যবহার করে ইট প্রস্তুতের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারায় খোশাল মাদবর ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা, সামাদ ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা এবং ইকোসিরামিক্স লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বারি, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো. ছানোয়ার হোসেন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিরাজদিখান থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। পরে অভিযান শেষে

মুন্সিগঞ্জে তিন ইটভাটার মালিককে জরিমানা

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনটি ইটভাটাকে মোট ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার লতব্দী ও বালুচর ইউনিয়নে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা ঘোষ।

অভিযান চলাকালে মেসার্স খোশাল মাদবর ব্রিকস, মেসার্স সামাদ ব্রিকস এবং ইকোসিরামিক্স লিমিটেড নামের তিনটি ইটভাটায় বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই কৃষিজমির উপরিস্তরের মাটি ব্যবহার করে ইট প্রস্তুতের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারায় খোশাল মাদবর ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা, সামাদ ব্রিকসকে ২ লাখ টাকা এবং ইকোসিরামিক্স লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বারি, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো. ছানোয়ার হোসেন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সিরাজদিখান থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

পরে অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স হালনাগাদ,পরিবেশ গত ছাড়পত্র নবায়ন এবং কৃষিজমির মাটি ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।

তিনি জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুভ ঘোষ/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow