মুন্সীগঞ্জে তুমুল সংঘর্ষ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ ২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের বড়বর্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বড়বর্তা এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলামের পুকুরে কয়েকজন ব্যক্তি টেঁটা দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এসময় নজরুল ইসলামের ছেলে, ভাতিজা ও কয়েকজন স্বজন বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে রায়হান (২১) নামে এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া জোবায়ের শেখ (২২) নামের আরও এক যুবক টেটার আঘাতে আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজদীখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে রায়হানের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সিরাজদীখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ঠাকুর দাস, পরিমল দাস, নাগর দাসসহ আটজনের

মুন্সীগঞ্জে তুমুল সংঘর্ষ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ ২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের বড়বর্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বড়বর্তা এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলামের পুকুরে কয়েকজন ব্যক্তি টেঁটা দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এসময় নজরুল ইসলামের ছেলে, ভাতিজা ও কয়েকজন স্বজন বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে রায়হান (২১) নামে এক যুবক টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া জোবায়ের শেখ (২২) নামের আরও এক যুবক টেটার আঘাতে আহত হন। এ সময় উভয় পক্ষের আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজদীখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে রায়হানের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সিরাজদীখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ঠাকুর দাস, পরিমল দাস, নাগর দাসসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে পরিমল দাস বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি বাজারে ছিলাম। পরে বাড়ি থেকে ফোন পেয়ে এসে জানতে পারি, নজরুলের ছেলে ও ভাতিজা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা করেছে। তাদের সঙ্গে আগে থেকেই আমাদের বিরোধ ছিল।’ সিরাজদীখান থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow