‘মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়, অযথা কাউকে হয়রানি করবেন না’
বরগুনার তালতলীতে পুলিশ ব্যারাকে মো. ফারুক হোসেন গাজী (৫৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর তার কক্ষ থেকে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটে মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ থাকলেও আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ লেখা ছিল না। রোববার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে তালতলী থানা পুলিশের ব্যারাকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারিকুল ইসলাম মাসুদ। নিহত ফারুক হোসেন গাজী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের রতন আলী গাজীর ছেলে। তিনি তালতলী থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের ডিউটি শেষে সকাল ৮টার দিকে থানার ব্যারাকে ফেরেন ফারুক গাজী। পরে সকালের কোনো এক সময় তিনি কীটনাশক বা গ্যাস ট্যাবলেটজাতীয় বিষাক্ত পদার্থ সেবন করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে ব্যারাকে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি টের পান। পরে তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উদ্ধারকৃত ওই চিঠিতে ফারুক গাজীর উল্লেখযোগ্য লেখা হল
বরগুনার তালতলীতে পুলিশ ব্যারাকে মো. ফারুক হোসেন গাজী (৫৫) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পর তার কক্ষ থেকে চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চিরকুটে মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ থাকলেও আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ লেখা ছিল না।
রোববার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে তালতলী থানা পুলিশের ব্যারাকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারিকুল ইসলাম মাসুদ।
নিহত ফারুক হোসেন গাজী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার আংগারিয়া গ্রামের রতন আলী গাজীর ছেলে। তিনি তালতলী থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতের ডিউটি শেষে সকাল ৮টার দিকে থানার ব্যারাকে ফেরেন ফারুক গাজী। পরে সকালের কোনো এক সময় তিনি কীটনাশক বা গ্যাস ট্যাবলেটজাতীয় বিষাক্ত পদার্থ সেবন করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে ব্যারাকে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি টের পান। পরে তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উদ্ধারকৃত ওই চিঠিতে ফারুক গাজীর উল্লেখযোগ্য লেখা হলো, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি আমার নিজের ইচ্ছায় মৃত্যু মেনে নিচ্ছি। অযথা কাউকে যেন হয়রানি না করা হয়। আর আমার অনুরোধ বাড়ির লোকজনের কাছে দয়া করে জানাবেন যে, সে স্টোক করে মৃত্যুবরণ করেছে। আমার ডেট সার্টিফিকেট সঙ্গে পাঠিয়ে দেবেন।’
এ বিষয়ে এএসপি তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সকাল ৯টার দিকে থানার তদন্ত কর্মকর্তা জানতে পারেন, একজন পুলিশ সদস্য আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ইসিজি পরীক্ষার মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আত্মহত্যার পেছনের কারণ কী ছিল, তা তদন্তের পর বলা যাবে। উদ্ধার করা চিরকুটেও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ নেই।
নুরুল আহাদ অনিক/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?