মেঘনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে বড় আকারের পাঙ্গাশ
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরেই প্রচুর পরিমাণে বড় আকারের পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে। দীর্ঘদিন পর এমন চিত্রে জেলেদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আশাবাদ। স্থানীয় জেলেদের দাবি, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত নজরদারি এবং অবৈধ মাছ ধরার সরঞ্জামের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ইতিবাচক প্রভাব এখন দৃশ্যমান। এর ফলে নদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই, রাক্ষুসে বেহুন্দী জাল এবং অন্যান্য ক্ষতিকর মাছ ধরার সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। এসব অবৈধ জালে বিপুল পরিমাণ মাছের পোনা নিধন হওয়ায় দেশীয় পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছিল। তবে সম্প্রতি পরিস্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় জেলেরা জানান, কয়েকদিন ধরে তাদের জালে নিয়মিত বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা গত কয়েক বছরে খুব একটা দেখা যায়নি। এতে নদীতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা। হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরেই প্রচুর পরিমাণে বড় আকারের পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে। দীর্ঘদিন পর এমন চিত্রে জেলেদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আশাবাদ।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত নজরদারি এবং অবৈধ মাছ ধরার সরঞ্জামের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযানের ইতিবাচক প্রভাব এখন দৃশ্যমান। এর ফলে নদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই, রাক্ষুসে বেহুন্দী জাল এবং অন্যান্য ক্ষতিকর মাছ ধরার সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। এসব অবৈধ জালে বিপুল পরিমাণ মাছের পোনা নিধন হওয়ায় দেশীয় পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা ক্রমেই কমে যাচ্ছিল। তবে সম্প্রতি পরিস্থিতির পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, কয়েকদিন ধরে তাদের জালে নিয়মিত বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা গত কয়েক বছরে খুব একটা দেখা যায়নি। এতে নদীতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা।
হিজলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, গত দুই বছর ধরে হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে সব ধরনের অবৈধ বেহুন্দী জাল, পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই এবং সুতার তৈরি লাইন বর্শি উচ্ছেদে আমরা সফল হয়েছি। একই সঙ্গে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নিয়মিত নদীতে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এরই সুফল হিসেবে এখন নদীতে দেশীয় পাঙ্গাশের আধিক্য দেখা যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণত শীত মৌসুমে সীমিত পরিমাণে দেশীয় পাঙ্গাশ পাওয়া যায়। কিন্তু এবার মৌসুমের বাইরেও জেলেদের জালে বড় আকারের পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। আমাদের এই অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকলে মেঘনা নদীতে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আরও বৃদ্ধি পাবে এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শাওন খান/এনএইচআর
What's Your Reaction?