উজানের ঢল-ভারী বৃষ্টিতে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তার পানি

উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০৮ মিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও পড়ুন দুই সপ্তাহে তিস্তায় বিলীন ২৫ বাড়ি, দিশেহারা শতাধিক পরিবার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের চর ও নিম্নভূমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আরও পড়ুন আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবো: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ পাউবো সূত্র জানায়, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। এজন্য নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। আরও পড়ুন ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলন সফল

উজানের ঢল-ভারী বৃষ্টিতে বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই তিস্তার পানি

উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টির প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি আবারও বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী, ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০৮ মিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের চর ও নিম্নভূমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাউবো সূত্র জানায়, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। এজন্য নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকায় সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আমিরুল হক/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow