মেধা-মননের বিকাশ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে রাজশাহী-রংপুরে পাঠক সমাবেশ

বইপড়ার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের মেধা-মননের বিকাশ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী ও রংপুরে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার রাজশাহী ও শনিবার রংপুরে এসব পাঠক সমাবেশ হয়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় এ সমাবেশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। উভয় সমাবেশে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়ি ও সেসব লাইব্রেরির গাড়িগুলোর পাঁচশোর বেশি পাঠক-সদস্যের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ভ্রাম্যমাণ বইমেলা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও জিআই পণ্যভিত্তিক স্টল প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। গত শনিবার (২৫ জুলাই) বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের প্রাঙ্গণে রংপুর বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচাল

মেধা-মননের বিকাশ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে রাজশাহী-রংপুরে পাঠক সমাবেশ

বইপড়ার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের মেধা-মননের বিকাশ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজশাহী ও রংপুরে বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার রাজশাহী ও শনিবার রংপুরে এসব পাঠক সমাবেশ হয়।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় এ সমাবেশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।

উভয় সমাবেশে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির গাড়ি ও সেসব লাইব্রেরির গাড়িগুলোর পাঁচশোর বেশি পাঠক-সদস্যের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ভ্রাম্যমাণ বইমেলা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও জিআই পণ্যভিত্তিক স্টল প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

jagonews24

গত শনিবার (২৫ জুলাই) বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের প্রাঙ্গণে রংপুর বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচালক বিল্লাল হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রমিজ আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লাইব্রেরির গুরুত্ব তুলে ধরে শহিদুল ইসলাম বলেন, ভালো বই আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে এবং চিন্তা-চেতনাকে বিকশিত করে। আমাদের সবসময় ভালো বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। বই মনের খোরাক জোগায়, দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রসারিত করে এবং জীবনের পথে একজন সত্যিকারের সঙ্গীর ভূমিকা পালন করে।

jagonews24

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচালক, দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি (৩য় সংশোধিত) প্রকল্প, জনাব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান বলেন "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকার সাংস্কৃতিক চর্চা ও ক্রীড়াতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। যখন মানুষ বইপড়া, সাংস্কৃতিক চর্চা ও বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকবে তখন ডিভাইস আসক্তি কমবে"।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রংপুরের জেলা প্রশাসক ও ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি আগত শিক্ষার্থী ও পাঠককদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভাল বই সবসময়ই আমাদের ভালো বন্ধু হতে পারে। তাই তোমরা বই পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উন্নয়ন ও আইসিটি বিভাগের পরিচালক (যুগ্মসচিব) ডা. সঞ্জীব সূত্রধর। এতে বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের উপপরিচালক মো. সালাহ্উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

jagonews24

এর আগে গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে রাজশাহী বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) ও প্রকল্প পরিচালক বিল্লাল হোসেন খান, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের উন্নয়ন ও আইসিটি বিভাগের পরিচালক (যুগ্মসচিব) ডা. সঞ্জীব সূত্রধর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, আমাদের যে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে। অনেক শিক্ষার্থী রিডিং পড়তে পারে না, এজন্য বেশি বেশি বই পড়ার প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে।

jagonews24

তিনি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং গ্রন্থাগার সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে অভিভাবকদের ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অভিভাবকরা যেন শিক্ষার্থীদের হাতে স্মার্ট ডিভাইসের পরিবর্তে বই তুলে দেন। প্রয়োজনে অভিভাবকদের জন্য পাঠচক্রের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

এ প্রকল্পের আওতায় রাজশাহী ও রংপুরের পর পর্যায়ক্রমে খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে এই বিভাগীয় পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow