‘মেসি যতদিন চাইবে, ততদিন সেরাই থাকবে’

লিওনেল স্কালোনি বলেছেন, মেসি যতদিন ফুটবল খেলে যেতে চাইবেন, ততদিন তিনিই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় থাকবেন। আসন্ন বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্কালোনি বলেন, ‘মেসি যতদিন চাইবে, ততদিন সেরাই থাকবে। অবশ্যই ৫০ বছর বয়সে নয়, কিন্তু যতদিন তার ইচ্ছা থাকবে, ততদিন সে সেরাদের মধ্যেই থাকবে। ২৩ বা ২৪ বছর বয়সে বার্সেলোনায় সে কেমন ছিল, তা কল্পনাও করা কঠিন। আমরা এ নিয়ে অনেকবার কথা বলেছি। আমার বিশ্বাস, যতদিন তার জয়ের ক্ষুধা থাকবে, ততদিন তিনিই সেরা।’ মেসির বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, তার দৌড়ানোর ধরন বা পরিশ্রমে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি, ‘লিও সবসময়ই প্রায় একই পরিমাণ দৌড়ায়। সে এখন বেশি বা কম দৌড়াচ্ছে না। পার্থক্য হলো, এখন সে আরও বেশি কার্যকর ও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী ভূমিকা রাখছে। দলও তাকে দারুণভাবে সহায়তা করছে। যখন সে বুঝতে পারে যে প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করতে পারবে, তখন সে যেন একটি মেশিনে পরিণত হয়। এতে আমি মোটেও অবাক নই।’ কেপ ভার্দে ও মিশরের বিপক্ষে কিছুটা কঠিন ম্যাচ খেললেও নিজের দলের প

‘মেসি যতদিন চাইবে, ততদিন সেরাই থাকবে’

লিওনেল স্কালোনি বলেছেন, মেসি যতদিন ফুটবল খেলে যেতে চাইবেন, ততদিন তিনিই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় থাকবেন। আসন্ন বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্কালোনি বলেন, ‘মেসি যতদিন চাইবে, ততদিন সেরাই থাকবে। অবশ্যই ৫০ বছর বয়সে নয়, কিন্তু যতদিন তার ইচ্ছা থাকবে, ততদিন সে সেরাদের মধ্যেই থাকবে। ২৩ বা ২৪ বছর বয়সে বার্সেলোনায় সে কেমন ছিল, তা কল্পনাও করা কঠিন। আমরা এ নিয়ে অনেকবার কথা বলেছি। আমার বিশ্বাস, যতদিন তার জয়ের ক্ষুধা থাকবে, ততদিন তিনিই সেরা।’

মেসির বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, তার দৌড়ানোর ধরন বা পরিশ্রমে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি, ‘লিও সবসময়ই প্রায় একই পরিমাণ দৌড়ায়। সে এখন বেশি বা কম দৌড়াচ্ছে না। পার্থক্য হলো, এখন সে আরও বেশি কার্যকর ও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী ভূমিকা রাখছে। দলও তাকে দারুণভাবে সহায়তা করছে। যখন সে বুঝতে পারে যে প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করতে পারবে, তখন সে যেন একটি মেশিনে পরিণত হয়। এতে আমি মোটেও অবাক নই।’

কেপ ভার্দে ও মিশরের বিপক্ষে কিছুটা কঠিন ম্যাচ খেললেও নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো খেলছি এবং সুযোগও তৈরি করছি। শুধু কয়েকটি ছোট বিষয় ঠিক করতে হবে। মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচটি আমার প্রিয় ম্যাচগুলোর একটি, কারণ ম্যাচটির গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি।’

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রতিটি প্রতিপক্ষই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে চায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি, ‘সব দলই আমাদের বিপক্ষে জীবনের সেরা ম্যাচটি খেলতে চায়। তবে আর্জেন্টিনা জানে কীভাবে লড়াই করতে হয়। কাতার বিশ্বকাপের মতো সব সময় একই মানের ফুটবল খেলা সম্ভব নয়, কিন্তু দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং ঘুরে দাঁড়াতে জানে।’

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের শুরুতে অনেক খেলোয়াড়ের ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ ছিল বলেও জানান স্কালোনি, ‘তোমরা তখন জানতেই না, কিন্তু এখন বলতে পারি। পরিস্থিতি শুরুতে অনেক কঠিন ছিল। অনেক খেলোয়াড় পুরোপুরি ফিট ছিল না। শেষ পর্যন্ত আমরা সেটা সামলে উঠতে পেরেছি।’

স্ট্রাইকারদের গোলসংখ্যা কম হলেও হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের প্রশংসা করেন স্কালোনি, ‘ওরা নিজেদের দায়িত্বের চেয়েও বেশি অবদান রাখছে। একসঙ্গে খেলুক বা আলাদা, তারা দলের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সাধারণত একজনই শুরুর একাদশে সুযোগ পায়।’

সবশেষে সুইজারল্যান্ড সম্পর্কে স্কালোনি বলেন, ‘তারা খুবই ভালো দল। নিয়মিত বড় দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে, অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে এবং শারীরিকভাবে খুবই শক্তিশালী। তারা কলম্বিয়াকে হারিয়ে এখানে এসেছে, যাদের অনেকেই এই পর্যায়ে দেখার আশা করেছিলেন।’

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow