মেসেঞ্জারে কবুল বললে কি বিয়ে হয়ে যায়?

প্রশ্ন: ফেসবুক মেসেঞ্জারে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে যদি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় অথবা প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, জবাবে ছেলে/ মেয়ে তিনবার ‘কবুল’ বলে তা গ্রহণ করে, তাহলে কি তাদের বিয়ে হয়ে যায়? উত্তর: ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ লিখে বার্তা আদান-প্রদানের যে কোনো মাধ্যমে ইজাব-কবুল করলে অর্থাৎ একপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব দিলে এবং অপরপক্ষ একবার বা তিনবার কবুল বলে তা গ্রহণ করলেও বিয়ে হয় না। বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য বিয়ের পাত্র ও পাত্রী বা পাত্রীর সম্মতিসহ প্রতিনিধি একই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে, বার্তা আদান-প্রদানের যে কোনো মাধ্যমে যেহেতু এই শর্তটি পাওয়া যায় না, তাই এসব মাধ্যমে ইজাব-কবুল করলেও বিয়ে শুদ্ধ হয় না। আরেকটি বিষয় হলো, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য ইজাব-কবুল দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়াও জরুরি। বিয়ের উপযুক্ত পাত্র-পাত্রী দেখা করে সরাসরি ইজাব-কবুল করলেও বিয়ে শুদ্ধ হয় না যদি দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষী উপস্থিত না থাকে। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আ

মেসেঞ্জারে কবুল বললে কি বিয়ে হয়ে যায়?

প্রশ্ন: ফেসবুক মেসেঞ্জারে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে যদি কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় অথবা প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, জবাবে ছেলে/ মেয়ে তিনবার ‘কবুল’ বলে তা গ্রহণ করে, তাহলে কি তাদের বিয়ে হয়ে যায়?

উত্তর: ফেসবুক মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ লিখে বার্তা আদান-প্রদানের যে কোনো মাধ্যমে ইজাব-কবুল করলে অর্থাৎ একপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব দিলে এবং অপরপক্ষ একবার বা তিনবার কবুল বলে তা গ্রহণ করলেও বিয়ে হয় না। বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য বিয়ের পাত্র ও পাত্রী বা পাত্রীর সম্মতিসহ প্রতিনিধি একই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে হবে, বার্তা আদান-প্রদানের যে কোনো মাধ্যমে যেহেতু এই শর্তটি পাওয়া যায় না, তাই এসব মাধ্যমে ইজাব-কবুল করলেও বিয়ে শুদ্ধ হয় না।

আরেকটি বিষয় হলো, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য ইজাব-কবুল দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতিতে হওয়াও জরুরি। বিয়ের উপযুক্ত পাত্র-পাত্রী দেখা করে সরাসরি ইজাব-কবুল করলেও বিয়ে শুদ্ধ হয় না যদি দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষী উপস্থিত না থাকে।

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অভিভাবক ও দুই জন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে হয় না। (সহিহ ইবনে হিব্বান)

তবে বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য দুই জন সাক্ষী নির্দিষ্ট করা জরুরি নয়। বিয়ে যদি অনেকের উপস্থিতিতে হয়, দুইজন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে সাক্ষী বানানো না হয়, তাহলেও বিয়ে হয়ে যাবে।

মসজিদে বহু মানুষের উপস্থিতিতে বিয়ের আকদ হলে সেখানে পাত্র-পাত্রী বা তাদের প্রতিনিধি ছাড়া সাক্ষী হওয়ার উপযুক্ত যারা উপস্থিত থাকবে, পাত্রী-পক্ষ ও পাত্র-পক্ষের ইজাব ও কবুল শুনবে, সবাই বিয়ের সাক্ষী গণ্য হবে।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow