মেহেরপুরে স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম, পাউরুটিতে ছত্রাকের অভিযোগ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারে বাচ্চা থাকা পচা ডিম ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সরজমিনে গাংনীর বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা কিছু ডিম পচা এবং কয়েকটি পাউরুটিতে ছত্রাক রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলন দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, গাংনী উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য পাউরুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। শুরুতে খাবারের মান নিয়ে তেমন অভিযোগ না থাকলেও সম্প্রতি বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ বাড়ছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া জানায়, তার ডিমটি ভাঙতেই দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হয়। পরে সেটি ফেলে দেওয়া হয়। একই অভিযোগ করেছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবেল ও

মেহেরপুরে স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম, পাউরুটিতে ছত্রাকের অভিযোগ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবারে বাচ্চা থাকা পচা ডিম ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সরজমিনে গাংনীর বাঁশবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা কিছু ডিম পচা এবং কয়েকটি পাউরুটিতে ছত্রাক রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবকের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলন দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, গাংনী উপজেলার ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ৩৪৭ জন শিক্ষার্থীর জন্য পাউরুটি, কলা, ডিম, দুধ ও বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। শুরুতে খাবারের মান নিয়ে তেমন অভিযোগ না থাকলেও সম্প্রতি বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ বাড়ছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানিয়া জানায়, তার ডিমটি ভাঙতেই দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হয়। পরে সেটি ফেলে দেওয়া হয়। একই অভিযোগ করেছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী রুবেল ও শাকিল। তারা জানায়, কয়েকটি ডিমের কুসুমে কালচে আবরণ ও পানির মতো তরল ছিল। এছাড়া কিছু শিক্ষার্থী দুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রায়ই পচা ডিম, নিম্নমানের কলা ও ছত্রাকযুক্ত পাউরুটি সরবরাহ করা হয়। বিষয়টি একাধিকবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে সুশীলনের এরিয়া ম্যানেজার সুমন বলেন, ‘যেসব ডিম নষ্ট ছিল, সেগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। তবে পাউরুটিতে ছত্রাকের অভিযোগ সঠিক নয়। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষকরা খাবার সংরক্ষণ করায় এমনটি হতে পারে।’ মেহেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুকুমার মৈত্র বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow