মেয়র পদে কতদিন থাকছেন জানালেন ডা. শাহাদাত

মেয়র পদে ২০২৯ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময়ের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত মেয়র হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে যাবেন বলেও জানান শাহাদাত হোসেন।  রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর হালিশহরে একটি খেলার মাঠ উদ্বোধন করার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রশাসক দিতে পারবে না। কারণ, প্রশাসককে বদলি করে আমি এসেছি। চট্টগ্রামে প্রশাসক ছিলেন। প্রশাসককে বদলি করে আমাকে মেয়র দেওয়া হয়েছে। কাজেই পরে আর প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু জনগণের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি চাই যে একটা নির্বাচন হোক। যে নির্বাচনের প্রতীক্ষা আমি অনেক বছর ধরে করছি এবং আমি আমার জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমি কোনো প্রশাসক নই, মেয়র। যেহেতু আমি একমাত্র মেয়র এবং সেটা কোর্টের রায়ে আমাকে ঘোষণা করা হয়েছে, এখানে কেউ আমাকে ঘোষণা করেনি। কোর্ট অর্

মেয়র পদে কতদিন থাকছেন জানালেন ডা. শাহাদাত
মেয়র পদে ২০২৯ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময়ের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত মেয়র হিসেবেই দায়িত্ব পালন করে যাবেন বলেও জানান শাহাদাত হোসেন।  রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর হালিশহরে একটি খেলার মাঠ উদ্বোধন করার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রশাসক দিতে পারবে না। কারণ, প্রশাসককে বদলি করে আমি এসেছি। চট্টগ্রামে প্রশাসক ছিলেন। প্রশাসককে বদলি করে আমাকে মেয়র দেওয়া হয়েছে। কাজেই পরে আর প্রশাসক দেওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু জনগণের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি চাই যে একটা নির্বাচন হোক। যে নির্বাচনের প্রতীক্ষা আমি অনেক বছর ধরে করছি এবং আমি আমার জনপ্রিয়তা যাচাই করতে চাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, আমি কোনো প্রশাসক নই, মেয়র। যেহেতু আমি একমাত্র মেয়র এবং সেটা কোর্টের রায়ে আমাকে ঘোষণা করা হয়েছে, এখানে কেউ আমাকে ঘোষণা করেনি। কোর্ট অর্ডার দিয়েছে ২০২৯ সাল পর্যন্ত। কাজেই চাইলে ২০২৯ সাল পর্যন্ত আমি থাকতে পারব। তাও আমি বলছি, আমি নির্বাচন চাই। কাজেই এটা এখন দায়িত্ব হচ্ছে মিনিস্ট্রির, তারা নির্বাচন কী করে করবে। আমার এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তারা কিন্তু অলরেডি একটি চিঠি ইসিকে দিয়েছে। মেয়র বলেন, আমি বলছি, চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হওয়া উচিত। কেননা, প্রতিটি ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকায় যে পরিমাণ সার্ভিস জনগণের পাওয়ার কথা, সে পরিমাণ সার্ভিস জনগণ পাচ্ছেন না। আমি এ জন্য মনে করছিলাম, চট্টগ্রামসহ সারা বাংলাদেশের যে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচন দরকার, সেখানে অবশ্যই নির্বাচন দেওয়া উচিত এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা উচিত। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের মেয়রদের মতো রেজাউল করিম চৌধুরীকেও অপসারণ করা হয়েছিল। অপসারিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী, ওই পরিষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ। ২০২১ সালের ওই নির্বাচনের পর কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহাদাত হোসেন। এরপর ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর তাকে মেয়র ঘোষণা করেন আদালত। আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করলে তিনি ওই বছরের ৩ নভেম্বর শপথ নেন এবং দায়িত্ব নেন ৫ নভেম্বর। দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম স্থানীয় সরকার আইন (সিটি করপোরেশন) ২০০৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই আইনে সিটি করপোরেশনের মেয়রের মেয়াদ ও নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে পৃথক পৃথক ধারা রয়েছে। আইনের ৬ ধারায় সিটি করপোরেশনের মেয়াদ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, করপোরেশনের মেয়াদ প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow