মেয়েকে স্কুলে দিতে গিয়ে বাসচাপায় প্রাণ গেল বাবার
রংপুর নগরীতে পাঁচ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে বাসচাপায় আবুল কাশেম নামে এক মাদ্রাসা সুপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে ও পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসচালক মোহাম্মদ মুর্তজাকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল কাশেম নগরীর জিয়াতপুকুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন। তিনি ধর্মদাস মিলনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে কাশফিয়াকে স্কুলে পৌঁছে দিতে মডার্ন মোড় এলাকায় যান। রাস্তা পার হওয়ার আগে মেয়েকে নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাস মূল সড়কে ওঠার জন্য হঠাৎ পেছনের দিকে ব্যাক করে। এতে বাসের চাকার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। তার ঠিক পাশেই থাকা মেয়ে কাশফিয়া অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর
রংপুর নগরীতে পাঁচ বছর বয়সী মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিতে গিয়ে বাসচাপায় আবুল কাশেম নামে এক মাদ্রাসা সুপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে ও পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নগরীর মডার্ন মোড় এলাকায় তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসচালক মোহাম্মদ মুর্তজাকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল কাশেম নগরীর জিয়াতপুকুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ছিলেন। তিনি ধর্মদাস মিলনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে কাশফিয়াকে স্কুলে পৌঁছে দিতে মডার্ন মোড় এলাকায় যান। রাস্তা পার হওয়ার আগে মেয়েকে নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাস মূল সড়কে ওঠার জন্য হঠাৎ পেছনের দিকে ব্যাক করে। এতে বাসের চাকার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। তার ঠিক পাশেই থাকা মেয়ে কাশফিয়া অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায়।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলাম নামের একজন চালক বলেন, নিহত আবুল কাশেম তার মেয়েকে নিয়ে মহাসড়কের একেবারে পাশের অংশে, যেখানে পথচারী ও ছোট যানবাহন চলাচল করে, সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসের ছাদ থেকে কিছু মালামাল নামানোর পর হঠাৎ বাসটি পেছাতে শুরু করলে তিনি চাকার নিচে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
নিহতের প্রতিবেশী মো. আশিক হোসেন বলেন, আবুল কাশেম রাস্তার একেবারে পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসটিও সেখানে থেমে ছিল। কিন্তু মূল সড়কে ওঠার জন্য চালক হঠাৎ বাসটি পেছাতে শুরু করলে তিনি চাপা পড়েন।
এদিকে নিহত আবুল কাশেমের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মরদেহ গোসলের প্রস্তুতি চলছে। বাড়িতে স্বজন, প্রতিবেশীদের ভিড়। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা ও ইমামতি করা আবুল কাশেমের মৃত্যুতে তার শিক্ষার্থীরাও শোকে ভেঙে পড়েছে। অনেককে কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রিয় শিক্ষককে শেষবারের মতো স্মরণ করতে দেখা যায়। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নগরীর তাজহাট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নিয়ে গেছেন। আগুনে পুড়ে যাওয়া বাসটি রেকার দিয়ে থানায় নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় বাসচালক মোহাম্মদ মুর্তজাকে আটক করা হয়েছে। দুর্ঘটনার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।