মেয়ের বিয়ের ১২ বছর পর নাতির জন্ম, আনন্দে ঘোড়ার গাড়িতে শোভাযাত্রা

মেয়ের বিয়ের দীর্ঘ ১২ বছর পর নাতি জন্ম নেওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন এক নানা। নাতিকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে শোভাযাত্রা বের করে কয়েক হাজার মিষ্টি বিতরণ করেছেন তিনি। নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। জানা যায়, জোরমল্লিকা গ্রামের বাসিন্দা মো. হান্নানের কোনো পুত্র সন্তান নেই। তার একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনের বিয়ে হয়েছে একই ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের মনির হোসেনের সঙ্গে। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর অপেক্ষার পর তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আব্দুর রহমান বিন মুসালিন। নাতির জন্মের খবরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন নানা মো. হান্নান। সেই আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে তিনি আয়োজন করেন এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭ মাস বয়সী নাতিকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে নিজ গ্রাম জোরমল্লিকা থেকে জামাইয়ের গ্রাম শাহবাজপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রা বের করেন। এ সময় নাচ-গান ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রায় ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করা হয়। শোভাযাত্রায় আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও এ

মেয়ের বিয়ের ১২ বছর পর নাতির জন্ম, আনন্দে ঘোড়ার গাড়িতে শোভাযাত্রা

মেয়ের বিয়ের দীর্ঘ ১২ বছর পর নাতি জন্ম নেওয়ার আনন্দে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন এক নানা। নাতিকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে শোভাযাত্রা বের করে কয়েক হাজার মিষ্টি বিতরণ করেছেন তিনি।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের জোরমল্লিকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, জোরমল্লিকা গ্রামের বাসিন্দা মো. হান্নানের কোনো পুত্র সন্তান নেই। তার একমাত্র মেয়ে পান্না খাতুনের বিয়ে হয়েছে একই ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের মনির হোসেনের সঙ্গে। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর দীর্ঘ ১২ বছর অপেক্ষার পর তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। শিশুটির নাম রাখা হয়েছে আব্দুর রহমান বিন মুসালিন।

নাতির জন্মের খবরে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন নানা মো. হান্নান। সেই আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে তিনি আয়োজন করেন এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের। বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৭ মাস বয়সী নাতিকে ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে নিজ গ্রাম জোরমল্লিকা থেকে জামাইয়ের গ্রাম শাহবাজপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রা বের করেন। এ সময় নাচ-গান ও উৎসবমুখর পরিবেশে প্রায় ৩ হাজার পিস মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

শোভাযাত্রায় আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসী অংশ নেন। এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। নাতির প্রতি নানার ভালোবাসা ও আনন্দঘন এ আয়োজন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে মো. হান্নান কালবেলাকে বলেন, আমার কোনো ছেলে সন্তান নেই। দীর্ঘ ১২ বছর পর মেয়ের ঘরে ছেলে সন্তান জন্ম নিয়েছে। নাতিকে ঘিরে আমার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তাই এই আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে এমন আয়োজন করেছি।

স্থানীয় যুবক কাওসার জানান, গ্রামাঞ্চলে এমন আয়োজন সচরাচর দেখা যায় না। নাতি জন্মের আনন্দে নানার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow