মোংলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত
মোংলায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ। রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রভাতফেরি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় মোংলা উপজেলা প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, মোংলা পোর্ট পৌরসভা, মোংলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্
মোংলায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ।
রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রভাতফেরি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় মোংলা উপজেলা প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, মোংলা পোর্ট পৌরসভা, মোংলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
পরে শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফুলেল শ্রদ্ধায় শহীদদের স্মরণ করেন।
শহীদ মিনার চত্বরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিকসহ ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য চিরঋণ হয়ে থাকবে। তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে শহীদদের আদর্শ ধারণ করে শুদ্ধ বাংলার চর্চায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নওসীনা আরিফ, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রেফাতুল ইসলাম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিকসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিকসহ অসংখ্য ভাষা শহীদ আত্মোৎসর্গ করেন। তাঁদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
What's Your Reaction?