মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে অতিথি রাণী দাস (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো.নুরুল হাকিম। এর আগে, শনিবার রাতে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভুবনের বাড়ির এ ঘটনা ঘটে। নিহত অতিথি রাণী দাস ওই এলাকার গোপাল চন্দ্র জল দাসের মেয়ে এবং স্থানীয় চরফকিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, শনিবার রাতে বাড়িতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বৈদ্যুতিক সকেটে চার্জে দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অতিথি রাণী। এসময় তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলাকালে তিনি মারা যান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকিব বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়। পরে ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহটি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে অতিথি রাণী দাস (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১০ মে) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো.নুরুল হাকিম। এর আগে, শনিবার রাতে উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভুবনের বাড়ির এ ঘটনা ঘটে।
নিহত অতিথি রাণী দাস ওই এলাকার গোপাল চন্দ্র জল দাসের মেয়ে এবং স্থানীয় চরফকিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, শনিবার রাতে বাড়িতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বৈদ্যুতিক সকেটে চার্জে দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অতিথি রাণী। এসময় তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলাকালে তিনি মারা যান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকিব বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়। পরে ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?