মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ায় বন্ধুর হাতে খুন
কক্সবাজারের ঈদগাঁওর জালালাবাদে মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বাকবিতন্ডায় ছুরিকাঘাতে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সেলিম উল্লাহর বাড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদ উল্লাহ (১৯) জালালাবাদ দক্ষিণ লরাবাক এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি পেশায় মোবাইল মেকানিক ছিলেন। এ ঘটনায় বন্ধু সায়েমকে (২০) আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। সায়েম একই এলাকার ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে। জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সায়েমের নষ্ট মোবাইল ঠিক করে দেয় হামিদ। এরপর বকেয়া টাকা চাইলে দুজনের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে সায়েমের মা ও বোন এসে হামিদের উপর চড়াও হয় এবং পেটে ছুরিকাঘাত করে সায়েম। হামিদের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। চেয়ারম্যান জনি আরো বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ধাওয়া করে ঘাতক সায়েমকে ধরে পুলিশে দেয়। ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার বলেন, অভিযুক্তসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।‘ সায়ীদ আলমগীর/এএইচ/জেআইএম
কক্সবাজারের ঈদগাঁওর জালালাবাদে মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধ নিয়ে বাকবিতন্ডায় ছুরিকাঘাতে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সেলিম উল্লাহর বাড়ির কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদ উল্লাহ (১৯) জালালাবাদ দক্ষিণ লরাবাক এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি পেশায় মোবাইল মেকানিক ছিলেন। এ ঘটনায় বন্ধু সায়েমকে (২০) আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। সায়েম একই এলাকার ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে।
জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর তাজ জনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে সায়েমের নষ্ট মোবাইল ঠিক করে দেয় হামিদ। এরপর বকেয়া টাকা চাইলে দুজনের মাঝে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে সায়েমের মা ও বোন এসে হামিদের উপর চড়াও হয় এবং পেটে ছুরিকাঘাত করে সায়েম। হামিদের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
চেয়ারম্যান জনি আরো বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ধাওয়া করে ঘাতক সায়েমকে ধরে পুলিশে দেয়।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম সিফাতুল মাজদার বলেন, অভিযুক্তসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।‘
সায়ীদ আলমগীর/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?