মোরেলগঞ্জে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট: বিপাকে কৃষি ও পরিবহন খাত
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। বেশি দামেও পেট্রোল ও ডিজেল পাচ্ছেন না তারা। ফলে অধিকাংশ খুচরা দোকান বন্ধ হয়ে পড়ছে। কৃষি কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ, নৌ ও সড়কপথে চালিত যানবাহনগুলো পড়েছে বিপাকে।উপজেলায় নির্ধারিত পাম্প না থাকায় খুচরা বিক্রেতারা জানান, ছোটখাটো দোকানেও সপ্তাহে ২০০ লিটারের ৮-১০ ড্রাম তেল বিক্রি হতো। এখন চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় সপ্তাহে ২/৪ ড্রাম তেল যোগান দিতেও কষ্ট হচ্ছে। যে কারণে ২/৩ দিন বিক্রয়ের পরেই সপ্তাহের বাকি সময় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত দামে চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে না।সরেজমিনে শুক্রবার (১৩ মার্চ) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের ছোট-বড় বাজারগুলোতে প্রায় অর্ধশতাধিক জ্বালানি তেল (পেট্রোল ও ডিজেল) এর খুচরা বিক্রয়ের দোকান রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের কারণে অর্ধেকেরও বেশি দোকান বন্ধ রয়েছে। শহর এলাকায় ২/৪টি দোকান খোলা থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না জ্বালানি তেল। ক্রেতাদের অভিযোগ, দিনের
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। বেশি দামেও পেট্রোল ও ডিজেল পাচ্ছেন না তারা। ফলে অধিকাংশ খুচরা দোকান বন্ধ হয়ে পড়ছে। কৃষি কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ, নৌ ও সড়কপথে চালিত যানবাহনগুলো পড়েছে বিপাকে।
উপজেলায় নির্ধারিত পাম্প না থাকায় খুচরা বিক্রেতারা জানান, ছোটখাটো দোকানেও সপ্তাহে ২০০ লিটারের ৮-১০ ড্রাম তেল বিক্রি হতো। এখন চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় সপ্তাহে ২/৪ ড্রাম তেল যোগান দিতেও কষ্ট হচ্ছে। যে কারণে ২/৩ দিন বিক্রয়ের পরেই সপ্তাহের বাকি সময় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। স্থানীয় ক্রেতাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত দামে চাহিদা অনুযায়ী পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে না।
সরেজমিনে শুক্রবার (১৩ মার্চ) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌর শহরের ছোট-বড় বাজারগুলোতে প্রায় অর্ধশতাধিক জ্বালানি তেল (পেট্রোল ও ডিজেল) এর খুচরা বিক্রয়ের দোকান রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের কারণে অর্ধেকেরও বেশি দোকান বন্ধ রয়েছে। শহর এলাকায় ২/৪টি দোকান খোলা থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না জ্বালানি তেল। ক্রেতাদের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময় বিক্রেতারা দাম বাড়াচ্ছেন। সরকার নির্ধারিত বাজার দর প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা ৬০ পয়সা হলেও খুচরা প্রতি লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো ১২০ টাকায়, বর্তমানে বিক্রয় হচ্ছে ১২৫/১৩০ টাকা। ডিজেল ১০০ টাকা ৬০ পয়সা হলেও খুচরা বিক্রেতারা বিক্রয় করতেন ১০৫ টাকায়, বর্তমানে ১১০/১২০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে। আবার অধিকাংশ বিক্রেতা বলছেন, ডিজেল নেই। কৃষি কাজের ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ পাওয়ার ট্রিলার, মাটি কাটার এক্সকেভেটর (ভেকু মেশিন), নৌপথের ট্রলার চলাচলে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। খুচরা দোকানে ডিজেল না পেয়ে অনেকে দূর থেকেও সংগ্রহ করতে হচ্ছে ট্রলার চালকসহ সাধারণ কৃষকদের। গত এক সপ্তাহ ধরে তেল সংকটে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অকটেন পূর্বে বিক্রয় হতো ১২৫ টাকা, বর্তমানে ১৩০ টাকায়ও মিলছে না। প্রত্যন্ত গ্রামের বাজারগুলোতে এর চেয়েও বেশি দামে বিক্রয় হচ্ছে বলে একাধিক ক্রেতার অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল দুপুরে সন্ন্যাসী বাজারে গফ্ফার ট্রেডার্স মো. গফফার কাজী, খুচরা বিক্রেতা পেট্রোল, ডিজেল ও মবিল দোকান বন্ধ রেখেছেন। গুলিশাখালী অভি এন্টারপ্রাইজ দোকান বন্ধ, নিশানবাড়িয়া রাস্তার মাথার খুচরা বিক্রেতা মফিদুল ফরাজী পেট্রোল না থাকায় এক সপ্তাহ ধরে দোকান বন্ধ রেখেছেন। পৌর শহরের ছোলমবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড ইব্রাহিম ব্রাদার্স আব্দুল মান্নান শিকদার দোকান বন্ধ রেখেছেন। শহরের বারইখালী স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন খুচরা বিক্রেতা রনি এন্টারপ্রাইজের সুমন শিকদার বলেন, চার দিন ধরে তেল না থাকায় ক্রেতাদের তেল দিতে পারছি না।
এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ বলেন, উপজেলার খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হবে। তবে সরকার নির্ধারিত দামের পরিবর্তে অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রয় হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?