মোরেলগঞ্জে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন করে থানায় স্ত্রী

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছেন তার স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী মোসাঃ আকলিমা আক্তার ঘটনার পরদিন সকালে মোরেলগঞ্জ থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী স্বামী লিটন শেখ (৪৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাইম শেখের ছেলে লিটন শেখের সঙ্গে তার স্ত্রী আকলিমা আক্তারের দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দাম্পত্য জীবন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ১৩ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে, যখন লিটন শেখ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, তখন আকলিমা আক্তার ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার লিঙ্গ কর্তন করেন।ঘটনার পর লিটন শেখের চিৎকারে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ওই অঙ্গটির প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণে

মোরেলগঞ্জে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন করে থানায় স্ত্রী

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়েছেন তার স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী মোসাঃ আকলিমা আক্তার ঘটনার পরদিন সকালে মোরেলগঞ্জ থানায় গিয়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী স্বামী লিটন শেখ (৪৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত সাইম শেখের ছেলে লিটন শেখের সঙ্গে তার স্ত্রী আকলিমা আক্তারের দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দাম্পত্য জীবন। তবে গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত পারিবারিক কলহ চলছিল। গত ১৩ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে, যখন লিটন শেখ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, তখন আকলিমা আক্তার ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার লিঙ্গ কর্তন করেন।

ঘটনার পর লিটন শেখের চিৎকারে স্বজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ওই অঙ্গটির প্রায় ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহমুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরদিন সকালে অভিযুক্ত নারী নিজেই থানায় এসে অপরাধ স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ তাকে তাৎক্ষণিক হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow