মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি, আসামি ফারুক ২ দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদার দাবিতে একাধিক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার সেই ফারুক ওরফে কাইল্লা ফারুককে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহম্মেদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আদালত দুই দিন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ আদালতে রিমান্ডের কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আসামি মোহাম্মদপুরের নামকরা চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। চাঁদাবাজিতে বাঁধা দিলে বাদী ও তার বন্ধুকে আসামি আঘাত করে রক্তাক্ত করে। অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তার ও মামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য আসামির রিমান্ড আবেদন করেছি। আদালতে ফারুকের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামি ফরুক গ্রিন ভিউ হাউসিং এলাকায় মাদক স্প
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদার দাবিতে একাধিক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার সেই ফারুক ওরফে কাইল্লা ফারুককে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহম্মেদ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আদালত দুই দিন মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্ত কর্মকর্তা রাজু আহম্মেদ আদালতে রিমান্ডের কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আসামি মোহাম্মদপুরের নামকরা চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। চাঁদাবাজিতে বাঁধা দিলে বাদী ও তার বন্ধুকে আসামি আঘাত করে রক্তাক্ত করে। অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেপ্তার ও মামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য আসামির রিমান্ড আবেদন করেছি। আদালতে ফারুকের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামি ফরুক গ্রিন ভিউ হাউসিং এলাকায় মাদক স্পটের নেতৃত্ব দেয়। বাদী রাসেল ও তার বন্ধু মামুন আসামির সেই মাদক স্পট বন্ধ করে দেয়। সপ্তাহ খানোক আগে মোহাম্মদপুরের বসিলার ময়ুর ভিলার কাচ্চি ভাইয়ের সামনে আসামি ফরুকসহ ৭/৮ জন চাঁদাবাজি করতে থাকলে বাদি ও তার বন্ধু বাধা দেয়। পরে আসামিরা তাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়। গত ২১ তারিখ একই স্থানে আসামিরা বাদী ও তার বন্ধুকে ধারালো সামুরাই দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। দুই বন্ধু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে যায়।
শুনানি শেষে আদালত আসামির পেশা এবং বাদিকে চিনে কি না জিজ্ঞেস করেন। জবাবে আসামি ফারুক বলেন, আমার একটা পিকআপ আছে, আমি জায়গা-জমির ব্যবসা করি। চাঁদাবাজির ঘটনাস্থলে এক সপ্তাহ ধরে যায়নাই। আমি রাসেলকেও (বাদী) চিনি না।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী মো. রাসেল একজন ব্যবসায়ী। মামলার এজাহারনামী আসামিরা গ্রীনভিউ হাউজিং এলাকায় মাদক স্পটে নেতৃত্ব দেয়। বাদী ও বাদীর বন্ধু মো. মামুন গ্রীনভিউ হাউজিং এলাকার মাদক স্পট বন্ধ করে দেয়। মামলার আসামিদের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন আসামি ৮ দিন আগে মোহাম্মদপুর থানাধীন বছিলা রোড এলাকায় ফুটপাতের দোকানদারদের থেকে চাঁদা দাবি করে। মামলার বাদী ও বাদীর বন্ধু মামুনসহ আরও লোকজন আসামিদের বাঁধা প্রদান করে। তখন অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন আসামি বাদি ও মামুনকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকাল তিনটায় মামলার ৭ জন আসামি ও অজ্ঞাতনামা ৮ জন আসামি অস্ত্রসহ বছিলা রোড এলাকায় এসে বাদী ও বাদির বন্ধু মো. মামুনকে মারধর করে। মারধরের একপর্যায়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর সামুরাই অস্ত্র দ্বারা আঘাত করা হয়। আসামিদের আঘাতে তারা দুজনেই রক্তাক্ত হন। পরবর্তীতে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসলে তারা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গতকাল ব্যবসায়ী মো. রাসেল মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় এজাহারনামীয় ৮ জন ও অজ্ঞাত নামা আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
What's Your Reaction?