মৌচাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মাগুরার যুবক

মাগুরা জেলা সদরের শিক্ষিত যুবক জহিরুল ইসলাম পিয়া পারিবারিক অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা কাটিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন মৌচাষের মাধ্যমে। কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে তিনি মৌচাষের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে সফলভাবে মৌচাষ করে নিজের ভাগ্য বদলের পথে এগিয়ে চলেছেন। ইছাখাদা হাজরাপুর ইউনিয়নে লিচু ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে ব্যপক সফলতা পাচ্ছেন চাষিরা। অর্থনৈতিক সংকট পেরিয়ে মৌচাষে স্বপ্ন বুনছেন জহিরুল ইসলাম পিয়া, লিচু মৌসুমে ৩৫ মণ মধু সংগ্রহের লক্ষ্য। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে প্রায় ১৩০টি মৌচাক, বিশেষ করে লিচুর মৌসুমকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। চলতি লিচু মৌসুমে এসব মৌচাক থেকে প্রায় ৩৫ মণ মধু সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি। জহিরুল ইসলাম পিয়া জানান, পরিবারের আর্থিক সংকট তাকে নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। মৌচাষের প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিনি অল্প পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে মৌচাকের সংখ্যা বাড়িয়ে এখন ১৩০টিতে উন্নীত করেছেন। সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া পেলে এ বছর ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। তিনি আশা করছেন, তার এই উদ্যোগ অন্য শিক্ষিত বেকার যুবকদেরও মৌচাষে আগ

মৌচাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মাগুরার যুবক

মাগুরা জেলা সদরের শিক্ষিত যুবক জহিরুল ইসলাম পিয়া পারিবারিক অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা কাটিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন মৌচাষের মাধ্যমে। কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে তিনি মৌচাষের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং বর্তমানে সফলভাবে মৌচাষ করে নিজের ভাগ্য বদলের পথে এগিয়ে চলেছেন।

মৌচাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মাগুরার যুবক

ইছাখাদা হাজরাপুর ইউনিয়নে লিচু ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে ব্যপক সফলতা পাচ্ছেন চাষিরা। অর্থনৈতিক সংকট পেরিয়ে মৌচাষে স্বপ্ন বুনছেন জহিরুল ইসলাম পিয়া, লিচু মৌসুমে ৩৫ মণ মধু সংগ্রহের লক্ষ্য। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে প্রায় ১৩০টি মৌচাক, বিশেষ করে লিচুর মৌসুমকে কেন্দ্র করে তিনি ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। চলতি লিচু মৌসুমে এসব মৌচাক থেকে প্রায় ৩৫ মণ মধু সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি।

মৌচাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মাগুরার যুবক

জহিরুল ইসলাম পিয়া জানান, পরিবারের আর্থিক সংকট তাকে নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। মৌচাষের প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিনি অল্প পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করেন। ধীরে ধীরে মৌচাকের সংখ্যা বাড়িয়ে এখন ১৩০টিতে উন্নীত করেছেন। সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া পেলে এ বছর ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।

তিনি আশা করছেন, তার এই উদ্যোগ অন্য শিক্ষিত বেকার যুবকদেরও মৌচাষে আগ্রহী করে তুলবে এবং গ্রামে নতুন কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করবে।

মৌচাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন মাগুরার যুবক

উপসহকারী কৃষি অফিসার প্রণব কুমার রায় বলেন, মৌচাষ গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কম খরচে শুরু করা যায় এবং কৃষির পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করে।

এমএমআইজে/জেএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow