মৌরিতানিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি, ১৪৪ অভিবাসী নিখোঁজ

মৌরিতানিয়ার উপকূলে গত সপ্তাহে পৃথক নৌ-দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪৪ জন শরণার্থী ও অভিবাসীর নিখোঁজের তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ। খবর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, ১৪ থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মৌরিতানিয়ার নুয়াধিবু বন্দরে তিনটি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে বিভিন্ন দেশের মোট ৩৮৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, একটি নৌকায় থাকা ১৪৩ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটি গাম্বিয়ার বুফালো এলাকা থেকে স্পেনের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। প্রায় ২৫ দিন সমুদ্রে ভাসমান থাকার পর গত শনিবার সেটিকে উদ্ধার করা হয়। ওই নৌকা থেকে মাত্র ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, যারা যাত্রাপথে নিজেদের পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়েছে। এ ছাড়া ১৪ জুলাই উদ্ধার হওয়া আরেকটি নৌযান থেকে নামানো যাত্রীদের মধ্যে একজনের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় এই প্রাণহানির ঘটনা আবারও প্রমাণ ক

মৌরিতানিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি, ১৪৪ অভিবাসী নিখোঁজ
মৌরিতানিয়ার উপকূলে গত সপ্তাহে পৃথক নৌ-দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪৪ জন শরণার্থী ও অভিবাসীর নিখোঁজের তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ। খবর আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) জানায়, ১৪ থেকে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মৌরিতানিয়ার নুয়াধিবু বন্দরে তিনটি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে বিভিন্ন দেশের মোট ৩৮৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, একটি নৌকায় থাকা ১৪৩ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটি গাম্বিয়ার বুফালো এলাকা থেকে স্পেনের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। প্রায় ২৫ দিন সমুদ্রে ভাসমান থাকার পর গত শনিবার সেটিকে উদ্ধার করা হয়। ওই নৌকা থেকে মাত্র ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, যারা যাত্রাপথে নিজেদের পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়েছে। এ ছাড়া ১৪ জুলাই উদ্ধার হওয়া আরেকটি নৌযান থেকে নামানো যাত্রীদের মধ্যে একজনের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটির মুখপাত্র ম্যাথিউ সল্টমার্শ জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় এই প্রাণহানির ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে, এই সমুদ্রপথে অভিবাসনের মূল্য কতটা ভয়াবহ। তিনি বলেন, পশ্চিম আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জগামী আটলান্টিক রুট এখনও বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অভিবাসনপথগুলোর একটি। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা, অনিশ্চিত আবহাওয়া, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই অনিরাপদ নৌযান এবং সময়মতো উদ্ধারসেবার অভাবের কারণে এ পথে মৃত্যুর ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নুয়াধিবু ও নুয়াকশোতে ১৭টি উদ্ধার অভিযানে মোট ২ হাজার ১৪৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানো অভিবাসীর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪০০ জনে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow