মৌলভীবাজারে ফ্রি-ফায়ার গেম নিয়ে সংঘর্ষ
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মোবাইল গেম ‘ফ্রি-ফায়ার’ খেলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা এবং আরেকজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৩ মে) রাত আনুমানিক ৮টায় বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিএনজি চালক জায়েদ আহমদ (১৯) ও তার বন্ধুদের সঙ্গে একই এলাকার সুয়েদ আহমদ (১৯) ও রিয়াদ আহমদ (২০)-এর মোবাইল গেম খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতির এক পর্যায়ে ধারালো চাকু দিয়ে জায়েদ আহমদের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। তার বন্ধু হাকিমুল ইসলামও হামলার শিকার হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় জায়েদ আহমদকে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে হাকিমুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার পর আহতের পিতা তরিকুল ইসলাম পাখি বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ব
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় মোবাইল গেম ‘ফ্রি-ফায়ার’ খেলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা এবং আরেকজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (২৩ মে) রাত আনুমানিক ৮টায় বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর বাজার সিএনজি স্ট্যান্ডে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিএনজি চালক জায়েদ আহমদ (১৯) ও তার বন্ধুদের সঙ্গে একই এলাকার সুয়েদ আহমদ (১৯) ও রিয়াদ আহমদ (২০)-এর মোবাইল গেম খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতির এক পর্যায়ে ধারালো চাকু দিয়ে জায়েদ আহমদের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। তার বন্ধু হাকিমুল ইসলামও হামলার শিকার হন।
স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় জায়েদ আহমদকে প্রথমে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে হাকিমুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনার পর আহতের পিতা তরিকুল ইসলাম পাখি বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
বড়লেখা থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
What's Your Reaction?