ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালটিতে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৫ জন। বুধবার (৩ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় ৬ মাসের এক শিশুকে ২৬ মে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩০ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে ১০৫ শিশু। হাসপাতালের তথ্যানুযায়ী, ১৭ মার্চ থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ৮২৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৬৭৭ শিশু। হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ও সহযোগী অধ্যাপক মোহা. গোলাম মাওলা বলেন, অনেক অভিভাবক সচেতন নন। শিশুর জ্বর, সর্দি, হাঁচি-কাশি দেখা দিলে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে বাসায় নিজ উদ্যোগে চিকিৎসা করান। এতে শিশুর শারীরিক

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালটিতে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৫ জন।

বুধবার (৩ জুন) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় ৬ মাসের এক শিশুকে ২৬ মে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩০ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছে ১০৫ শিশু।

হাসপাতালের তথ্যানুযায়ী, ১৭ মার্চ থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ৮২৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৬৭৭ শিশু।

হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন ও সহযোগী অধ্যাপক মোহা. গোলাম মাওলা বলেন, অনেক অভিভাবক সচেতন নন। শিশুর জ্বর, সর্দি, হাঁচি-কাশি দেখা দিলে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়ে বাসায় নিজ উদ্যোগে চিকিৎসা করান। এতে শিশুর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়ে। শিশু অসুস্থ হলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা নিলে জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

হোসাইন সুলভ/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow