যমুনায় বালু উত্তোলন নিয়ে গোলাগুলি
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আলোকদিয়া চরে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। রোববার (১০ মে) বেলা ১০টার দিকে আলোকদিয়া চরের যমুনা নদীতে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও বালু মহল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় তেওতা বালু মহলের ইজারা পেয়েছে মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশন, যার আওতাভুক্ত এলাকা আলোকদিয়া চর। রোববার সকালে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে চরে এসে হঠাৎ দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। একটি গুলি তাদের বাল্কহেডে বিদ্ধ হয়। সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় বালু উত্তোলন না করার হুমকি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। উল্লেখ্য, আলোকদিয়া চরে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল প্রতিপক্ষের গুলিতে মিরাজ হোসেন (৪০) নামে বালু মহলের এক ম্যানেজার নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রাসেল (২৪) নামে এক যুবককে পটুয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটল। বালু মহলের ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম চাঁন জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ চ
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আলোকদিয়া চরে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
রোববার (১০ মে) বেলা ১০টার দিকে আলোকদিয়া চরের যমুনা নদীতে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও বালু মহল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় তেওতা বালু মহলের ইজারা পেয়েছে মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশন, যার আওতাভুক্ত এলাকা আলোকদিয়া চর। রোববার সকালে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে চরে এসে হঠাৎ দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। একটি গুলি তাদের বাল্কহেডে বিদ্ধ হয়। সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় বালু উত্তোলন না করার হুমকি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে।
উল্লেখ্য, আলোকদিয়া চরে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। চলতি বছরের ৩ এপ্রিল প্রতিপক্ষের গুলিতে মিরাজ হোসেন (৪০) নামে বালু মহলের এক ম্যানেজার নিহত হন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রাসেল (২৪) নামে এক যুবককে পটুয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটল।
বালু মহলের ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম চাঁন জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ চরে এসে গুলি চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং বালু উত্তোলন করলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান, গুলিবর্ষণের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?