যশোরে তরুণকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

যশোরের মণিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৮) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ মৎস্য খামারে ফেলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে পুলিশ উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের বালিধা গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আরিফ ওই গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের একমাত্র ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন চার যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, মাদকসেবী বন্ধুদের হাতে আরিফ হত্যার শিকার হতে পারে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ১০টার দিকে আরিফ তার প্রতিবন্ধী চাচাতো ভাই সাকিবকে নিয়ে বাড়ির পাশে মোবাইল ফোন চালানোর কথা বলে বের হয়। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। সাকিবের দেওয়া ইশারা অনুযায়ী, রাতে কয়েকজন মুখোশধারী লোক এসে আরিফকে তুলে নিয়ে যায়। পরে দুর্বৃত্তরা তার মাথা, গলা ও হাতে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি আনোয়ারের মৎস্য খামারে ফেলে যায়। সোমবার সকালে এলাকাবাসী ভাসমান মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয়দের ধারণা, মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে বন্ধুদের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড

যশোরে তরুণকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

যশোরের মণিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৮) নামে এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ মৎস্য খামারে ফেলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২ মার্চ) সকালে পুলিশ উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়নের বালিধা গ্রাম থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আরিফ ওই গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের একমাত্র ছেলে।

এ ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন চার যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, মাদকসেবী বন্ধুদের হাতে আরিফ হত্যার শিকার হতে পারে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ১০টার দিকে আরিফ তার প্রতিবন্ধী চাচাতো ভাই সাকিবকে নিয়ে বাড়ির পাশে মোবাইল ফোন চালানোর কথা বলে বের হয়। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। সাকিবের দেওয়া ইশারা অনুযায়ী, রাতে কয়েকজন মুখোশধারী লোক এসে আরিফকে তুলে নিয়ে যায়। পরে দুর্বৃত্তরা তার মাথা, গলা ও হাতে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহটি আনোয়ারের মৎস্য খামারে ফেলে যায়। সোমবার সকালে এলাকাবাসী ভাসমান মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়দের ধারণা, মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে বন্ধুদের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পুলিশও প্রাথমিক তদন্তে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এলাকাবাসী জানায়, গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের স্ত্রী সোনিয়া খাতুন সাত বছর আগে দুই সন্তান রেখে স্বামীকে তালাক দিয়ে কাতারে পাড়ি জমান। ইতোমধ্যে এক মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন আতিয়ার রহমান। বর্তমান ছেলে আরিফকে নিয়েই আতিয়ারের সংসার। আরিফ তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে দিনমজুরের কাজ করে।

মণিরামপুর থানার এসআই অরুপ কুমার জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং দোষীদের আটকের জন্য গোয়েন্দাসহ পুলিশের তিনটি টিম কাজ করছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে এলাকার জিহাদ, সুজিত, রাব্বি ও রাকেস নামে চারজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রজিউল্লাহ খান জানিয়েছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, অচিরেই এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হবে। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা করা হয়নি।

মিলন রহমান/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow