যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী 'খোঁড়া কামরুল' আটক
যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম ওরফে ‘খোঁড়া কামরুল’কে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।আটককৃত কামরুল ইসলাম যশোর সদরের খোলাডাঙ্গা এলাকার মৃত আজিজের ছেলে। রোববার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম।তিনি আরও জানান, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, অস্ত্র মামলা, বিস্ফোরক মামলা, চাঁদাবাজি মামলাসহ মোট ২০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।ডিবি সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতোয়ালি থানার একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই জবানবন্দিতে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলির কেনাবেচার সঙ্গে কামরুল ইসলাম জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এ তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই সালাউদ্দিন খান ও এসআই বাবলা দাসের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে শহরের মিশনপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের যোগানদাতা হিসেবে
যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী কামরুল ইসলাম ওরফে ‘খোঁড়া কামরুল’কে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত কামরুল ইসলাম যশোর সদরের খোলাডাঙ্গা এলাকার মৃত আজিজের ছেলে। রোববার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম।
তিনি আরও জানান, কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, অস্ত্র মামলা, বিস্ফোরক মামলা, চাঁদাবাজি মামলাসহ মোট ২০টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, যশোর কোতোয়ালি থানার একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওই জবানবন্দিতে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলির কেনাবেচার সঙ্গে কামরুল ইসলাম জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এ তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই সালাউদ্দিন খান ও এসআই বাবলা দাসের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে শহরের মিশনপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের যোগানদাতা হিসেবে কাজ করছিলেন। পাশাপাশি যশোর শহর ও আশপাশ এলাকায় অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
What's Your Reaction?