যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যস্থতায় পাকিস্তান, রয়েছে আরও কয়েক দেশ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, সরাসরি কোনো আলোচনা না হলেও পাকিস্তানের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ চলছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যা বর্তমানে ইরান পর্যালোচনা করছে। ইসহাক দার বলেন, এই কূটনৈতিক উদ্যোগে তুরস্ক এবং মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশ সহায়তা করছে। তিনি জানান, চলমান সংঘাত বন্ধে গণমাধ্যমে যে সরাসরি শান্তি আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং বাস্তবে পর্দার আড়ালে বার্তা বিনিময়ের মাধ্যমেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে চলছে। পাকিস্তান এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র পথ। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ই

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যস্থতায় পাকিস্তান, রয়েছে আরও কয়েক দেশ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, সরাসরি কোনো আলোচনা না হলেও পাকিস্তানের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ চলছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ১৫ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যা বর্তমানে ইরান পর্যালোচনা করছে। ইসহাক দার বলেন, এই কূটনৈতিক উদ্যোগে তুরস্ক এবং মিশরসহ আরও কয়েকটি দেশ সহায়তা করছে। তিনি জানান, চলমান সংঘাত বন্ধে গণমাধ্যমে যে সরাসরি শান্তি আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং বাস্তবে পর্দার আড়ালে বার্তা বিনিময়ের মাধ্যমেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এগিয়ে চলছে। পাকিস্তান এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র পথ। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালি নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশসহ কয়েকটি বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। খবর এনডিটিভির। মূলত হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। তবে পুরো প্রণালি বন্ধ না করে বাছাই করা কিছু দেশকে চলাচলের সুযোগ দিচ্ছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে। তিনি আরও বলেন, সংবাদে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত। কয়েক দিন আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে। আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও যারা আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতেও, যুদ্ধের পরেও এটি অব্যাহত থাকবে। আরাগচি জানিয়েছেন, যেসব দেশকে ইরান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে বা চলমান সংঘাতে জড়িত বলে মনে করে তাদের জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি। পুরো অঞ্চলই যুদ্ধক্ষেত্র। আমাদের শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজ চলাচলের কোনও কারণ নেই। তবে অন্যদের জন্য এটি খোলা থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow