যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি খুব কাছাকাছি, তবে এখনো হয়নি : ভ্যান্স

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অচলাবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হবে কি না, কিংবা কবে হবে; তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, আলোচকরা এখনো কয়েকটি বিষয় নিয়ে এদিক-সেদিক করছেন। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুটি এখনো বড় বাধা হয়ে আছে। তিনি বলেন, আমরা এখনো সেখানে পৌঁছাইনি, তবে খুব কাছাকাছি আছি। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এর আগে বৃহস্পতিবারই মার্কিন কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সম্ভাব্য চুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। তবে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কোনো চুক্তি এখনো চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে, ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বন্ধ করতে হবে এবং

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি খুব কাছাকাছি, তবে এখনো হয়নি : ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তি নিয়ে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অচলাবস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হবে কি না, কিংবা কবে হবে; তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, আলোচকরা এখনো কয়েকটি বিষয় নিয়ে এদিক-সেদিক করছেন। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুটি এখনো বড় বাধা হয়ে আছে। তিনি বলেন, আমরা এখনো সেখানে পৌঁছাইনি, তবে খুব কাছাকাছি আছি। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এর আগে বৃহস্পতিবারই মার্কিন কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সম্ভাব্য চুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। তবে ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কোনো চুক্তি এখনো চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে, ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বন্ধ করতে হবে এবং তাদের মজুত সরিয়ে ফেলতে হবে। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, এসব ইউরেনিয়াম থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। যদিও তেহরান বরাবরই এমন অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সামনে আশাবাদী সুরে কথা বলেন জেডি ভ্যান্স। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে ইরান সৎ উদ্দেশ্য নিয়েই আলোচনা করছে। গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, দুই দেশ চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতি দেখা যায়নি। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপও বাড়ছে। উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর পাশাপাশি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দলের কিছু নেতাও যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে বৃহস্পতিবার দুই দেশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে আলোচনার অনিশ্চয়তাই আরও স্পষ্ট হয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের দাবি খণ্ডন করেছে এবং আলোচনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। ট্রাম্প ও মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, বিকল্প পরিকল্পনা বা সামরিক অভিযান আবারও শুরু করার পথ এখনো খোলা রয়েছে। সূত্র : বিবিসি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow