যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ হামলার পরও কমেনি ইরানের সামরিক শক্তি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার পরও ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা। বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রেস টিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বক্তব্যে ইরানের সামরিক শক্তির পরিমাণ কম করে দেখানো হয়। তিন কর্মকর্তার মতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময়ও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার প্রায় অর্ধেক অক্ষত ছিল। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ শাখার প্রায় ৬০ শতাংশ সক্ষমতা তখনো ছিল, যার মধ্যে দ্রুতগতির যুদ্ধ নৌযানও রয়েছে। এছাড়া, ইরানের বিমান বাহিনীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এখনো কার্যকর রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান এখনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সক্ষমতা রাখে। মেরিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস এডামস বলেন, ইরানের কাছে এখনো হাজারো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলার পরও ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ধরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রেস টিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বক্তব্যে ইরানের সামরিক শক্তির পরিমাণ কম করে দেখানো হয়।
তিন কর্মকর্তার মতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময়ও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার প্রায় অর্ধেক অক্ষত ছিল। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ শাখার প্রায় ৬০ শতাংশ সক্ষমতা তখনো ছিল, যার মধ্যে দ্রুতগতির যুদ্ধ নৌযানও রয়েছে। এছাড়া, ইরানের বিমান বাহিনীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এখনো কার্যকর রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কংগ্রেসে জমা দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইরান এখনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সক্ষমতা রাখে। মেরিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস এডামস বলেন, ইরানের কাছে এখনো হাজারো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।
যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আমরা ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী ধ্বংস করে দিয়েছি।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরানে চালানো ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’কে ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি, এ অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দীর্ঘ সময়ের জন্য ভেঙে পড়েছে।
তবে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। খাতাম আল-আম্বিয়ার কমান্ডার আলি আব্দুল্লাহি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। ইরান কাউকে বাস্তবতা বিকৃত করার সুযোগ দেবে না।
What's Your Reaction?