যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই ইরানের বিশ্বকাপ খেলতে হবে : ফিফা সভাপতি

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৫৬ দিন বাকি। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর এখনো পুরোপুরি মিলছে না। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে ইরানের ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকায় অনুষ্ঠিত আসন্ন বিশ্বকাপে ইরান অংশ নেবে। নিজেদের যোগ্যতার ভিত্তিতেই বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে দেশটি।  ফিফা সভাপতির মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বিশ্বকাপে তাদের অবশ্যই খেলা উচিত। বুধবার রাতে সিএনবিসি আয়োজিত এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরান অবশ্যই আসছে। আমরা আশা করি, তখন পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হবে।’ এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানের তিন ম্যাচের দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে হবে। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রবাসী ইরানি বেশি থাকায় মাঠের ভেতরে ও বাইরে বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে কারণেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে কথাবার্তা বেশি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইনফান্তিনো বলেন, ‘ইরানকে আসতেই হবে। তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে। খেলোয়াড়েরা খেলতে চায়।’ আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বি

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই ইরানের বিশ্বকাপ খেলতে হবে : ফিফা সভাপতি

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৫৬ দিন বাকি। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর এখনো পুরোপুরি মিলছে না। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির আবহে ইরানের ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকায় অনুষ্ঠিত আসন্ন বিশ্বকাপে ইরান অংশ নেবে। নিজেদের যোগ্যতার ভিত্তিতেই বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে দেশটি। 

ফিফা সভাপতির মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, বিশ্বকাপে তাদের অবশ্যই খেলা উচিত। বুধবার রাতে সিএনবিসি আয়োজিত এক অর্থনৈতিক সম্মেলনে ফিফা প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরান অবশ্যই আসছে। আমরা আশা করি, তখন পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হবে।’

এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে ইরানের তিন ম্যাচের দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে হবে। লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রবাসী ইরানি বেশি থাকায় মাঠের ভেতরে ও বাইরে বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে কারণেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে কথাবার্তা বেশি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ইনফান্তিনো বলেন, ‘ইরানকে আসতেই হবে। তারা যোগ্যতা অর্জন করেছে। খেলোয়াড়েরা খেলতে চায়।’

আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হবে বিশ্বকাপ। আর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যে এই সংঘাতের আবহ চলছে। যদিও ইনফান্তিনো বলছেন, ‘‌খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত। সেতু বন্ধনের কাজটা ফিফাকেই করে যেতে হবে।’‌ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow