যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি কমলেও চীনের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ

২০২৬ সালের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি ১১ শতাংশ কমলেও চীনের রপ্তানি ২১ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের রপ্তানি বেড়ে ৬৫৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। চীনের এই রপ্তানি বৃদ্ধি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও এআই পণ্যের শক্তিশালী চাহিদার কারণে এই বৃদ্ধিকে বিশ্লেষকরা উৎসাহজনক হিসেবে দেখছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। ম্যাককোয়ারি গ্রুপের প্রধান ল্যারি হু বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে বৈশ্বিক চাহিদা, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে চাহিদা বৃদ্ধি যা বহু অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ প্রবণতা কতদিন টিকে থাকবে তা নির্ভর করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-চালিত প্রযুক্তি বিনিয়োগের স্থায়িত্বের ওপর। জানুয়ারিতে চীনের কাঁচামাল আমদানি ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন টন হয়। ফলে সামগ্রিক আমদানি ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১১ শতাংশ কমলেও, চীনের আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় বাজারের রপ্তানি চরমভাবে বেড়েছে। আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ২৯

যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি কমলেও চীনের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ

২০২৬ সালের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি ১১ শতাংশ কমলেও চীনের রপ্তানি ২১ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চীনের রপ্তানি বেড়ে ৬৫৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। চীনের এই রপ্তানি বৃদ্ধি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও এআই পণ্যের শক্তিশালী চাহিদার কারণে এই বৃদ্ধিকে বিশ্লেষকরা উৎসাহজনক হিসেবে দেখছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।

ম্যাককোয়ারি গ্রুপের প্রধান ল্যারি হু বলেন, রপ্তানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে বৈশ্বিক চাহিদা, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে চাহিদা বৃদ্ধি যা বহু অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ প্রবণতা কতদিন টিকে থাকবে তা নির্ভর করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-চালিত প্রযুক্তি বিনিয়োগের স্থায়িত্বের ওপর।

জানুয়ারিতে চীনের কাঁচামাল আমদানি ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৯৬ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন টন হয়। ফলে সামগ্রিক আমদানি ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১১ শতাংশ কমলেও, চীনের আঞ্চলিক ও ইউরোপীয় বাজারের রপ্তানি চরমভাবে বেড়েছে। আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে রপ্তানি ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালিতে যথাক্রমে ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ , ৩১ দশমিক ৯ শতাংশ ও ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।

উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য, বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর ও এআই সরঞ্জামে চাহিদা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারিতে সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি ৭২দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। সামগ্রিক হাই-টেক পণ্যের রপ্তানি ২৬ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাকি বছরের জন্য রপ্তানি প্রবণতা মূলত উচ্চ প্রযুক্তি খাত, শক্তি সরঞ্জাম, গাড়ি ও জাহাজের ওপর নির্ভরশীল থাকবে। পাশাপাশি শ্রমনিবিড় খাতের ধীরে ধীরে হ্রাস ও সৌর প্যানেল ও ইস্পাত উৎপাদন নিয়ন্ত্রণের নীতি চীনের রপ্তানিকে পুননির্মান করছে।

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow