যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা ‘হাতের নাগালে’: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যদি কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে একটি সমঝোতা হাতের নাগালে রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের আসন্ন বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আরাগচি বলেন, একটি ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন চুক্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তা নির্ভর করবে কূটনীতি কতটা গুরুত্ব পায় তার ওপর। ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক স্পষ্ট করে বলেন, তেহরান কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তবে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির সুবিধা ভোগের অধিকার ইরানের জনগণের রয়েছে। বৃহস্পতিবার জেনেভায় নির্ধারিত বৈঠকটি হবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনা। এই আলোচনা মধ্যস্থতা করছে ওমান। মাসকাট আশা প্রকাশ করেছে, চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে। ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরাঘচি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন হোয়াইট হাউজের দূত স্টিভ উউটকভ এবং ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার। সাম্প্রতিক বৈঠকের পর ট্রাম্প তেহরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে অর্থবহ চুক্তি করার সময়সীমা বেঁধে দেন এবং সামরিক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যদি কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে একটি সমঝোতা হাতের নাগালে রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের আসন্ন বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আরাগচি বলেন, একটি ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন চুক্তির সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তা নির্ভর করবে কূটনীতি কতটা গুরুত্ব পায় তার ওপর।
ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক স্পষ্ট করে বলেন, তেহরান কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তবে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির সুবিধা ভোগের অধিকার ইরানের জনগণের রয়েছে।
বৃহস্পতিবার জেনেভায় নির্ধারিত বৈঠকটি হবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনা। এই আলোচনা মধ্যস্থতা করছে ওমান। মাসকাট আশা প্রকাশ করেছে, চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।
ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরাঘচি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন হোয়াইট হাউজের দূত স্টিভ উউটকভ এবং ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার।
সাম্প্রতিক বৈঠকের পর ট্রাম্প তেহরানকে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে অর্থবহ চুক্তি করার সময়সীমা বেঁধে দেন এবং সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।
এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে একটি ন্যাটো ঘাঁটিতে নোঙর করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। তাদের দাবি, সেখানে শক্ত ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক তোহিদ আসাডি জানান, ইরানে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে—একদিকে যুদ্ধের আশঙ্কা, অন্যদিকে কূটনৈতিক সমাধানের প্রত্যাশা।
ডিসেম্বরে অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। সম্প্রতি রাজধানীসহ বিভিন্ন বড় বিশ্ববিদ্যালয়েও অসন্তোষের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করেছে, তাদের পদক্ষেপের ফলে ইরানে ডলারের সংকট তৈরি হয়েছিল, যা তীব্র অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলে এবং ডিসেম্বরে এক বৃহৎ ব্যাংক ধসের আগমুহূর্তে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম
What's Your Reaction?