যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আইআরজিসির এক টেলিগ্রাম বার্তায় এ দাবি জানানো হয়। বার্তায় আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যদি কোনো ধরনের আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে আরও কঠোর ও ব্যাপক। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে তারা ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ওই জাহাজে হামলার জন্য তেহরান দায়ী। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নতুন হামলা এবং এর জেরে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ সেই আশাকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। শনিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আইআরজিসির এক টেলিগ্রাম বার্তায় এ দাবি জানানো হয়।

বার্তায় আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যদি কোনো ধরনের আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে আরও কঠোর ও ব্যাপক।

এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জবাবে তারা ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, ওই জাহাজে হামলার জন্য তেহরান দায়ী।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নতুন হামলা এবং এর জেরে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ সেই আশাকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।

বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সম্পন্ন হয়। ফলে এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এভার লাভলি’-তে হামলার ঘটনাকে ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ‘বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য, ওই সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছিল। এর মাধ্যমে মূলত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত এবং তেহরানের পাল্টা হামলা স্থগিত করার ভিত্তি তৈরি হয়।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই সমঝোতা স্মারক কোনো চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয়; বরং ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে নেওয়া একটি প্রাথমিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow