যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩২ কোটি টাকার ড্রোন ধ্বংস করলো ইরান

নিজেদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘এমকিউ-৯’ (MQ-9) ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে ইরান। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বুশেহর শহরের আকশসীমা থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের এই ড্রোন ভূপাতিত করে সলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ড্রোনের দাম প্রায় ৪৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আইআরজিসি’র মুখপাত্র হোসেইন মহবি জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনীর আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ড্রোনটিকে আঘাত করে ও ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়। এমকিউ-৯ (MQ-9 Reaper) ড্রোন একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র। একটি সাধারণ বা মৌলিক এমকিউ-৯ ড্রোনের মূল কাঠামোর উৎপাদন খরচ প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯০ কোটি টাকা)। যখন এই ড্রোনে অত্যাধুনিক মাল্টি-স্পেক্ট্রাল টার্গেটিং সিস্টেম, থার্মাল ক্যামেরা, শক্তিশালী রাডার, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন গিয়ার ও হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র যোগ করা হয়, তখন একটি সম্পূর্ণ কার্যকরী ড্রোনের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫০ থেকে ৪৩২ কোটি টাকা)। আর কিছু বি

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩২ কোটি টাকার ড্রোন ধ্বংস করলো ইরান

নিজেদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘এমকিউ-৯’ (MQ-9) ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে ইরান। বুধবার (৮ জুলাই) ইরানের বুশেহর শহরের আকশসীমা থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের এই ড্রোন ভূপাতিত করে সলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ড্রোনের দাম প্রায় ৪৩২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

আইআরজিসি’র মুখপাত্র হোসেইন মহবি জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনীর আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ড্রোনটিকে আঘাত করে ও ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়।

এমকিউ-৯ (MQ-9 Reaper) ড্রোন একটি অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র। একটি সাধারণ বা মৌলিক এমকিউ-৯ ড্রোনের মূল কাঠামোর উৎপাদন খরচ প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯০ কোটি টাকা)।

যখন এই ড্রোনে অত্যাধুনিক মাল্টি-স্পেক্ট্রাল টার্গেটিং সিস্টেম, থার্মাল ক্যামেরা, শক্তিশালী রাডার, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন গিয়ার ও হেলফায়ার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অত্যাধুনিক অস্ত্র যোগ করা হয়, তখন একটি সম্পূর্ণ কার্যকরী ড্রোনের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৫০ থেকে ৪৩২ কোটি টাকা)।

আর কিছু বিশেষ মিশন বা হাই-এন্ড ট্র্যাকিং প্রযুক্তিসহ একটি ড্রোনের খরচ সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৬১৭ থেকে ৭৯১ কোটি টাকা) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সাধারণত মার্কিন বিমান বাহিনী এই ড্রোনগুলো এককভাবে ছাড়াও গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন ও স্যাটেলাইট লিঙ্কের পুরো সেটসহ ব্যাচ আকারে কেনে, যার ফলে সামগ্রিক সিস্টেমের পেছনে বিপুল পরিমাণ ডলার ব্যয় হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow