যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাত্তাই দেয়নি ইরান

ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। একটি তৃতীয় মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ।  প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) একটি বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে এ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও চ্যালেঞ্জে পড়ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ফারস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরান এই প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং যুদ্ধে তীব্র হামলা অব্যাহত রেখে এর প্রতিক্রিয়া জানায়। সূত্রটি আরও জানায়, চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে অবস্থিত মার্কিন সামরিক গুদামে হামলার পর এই তৎপরতা বাড়ায় তারা। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর বিমান হামলা শুরু করে। এতে এখন পর্যন্ত ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় বিভিন্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাত্তাই দেয়নি ইরান

ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। একটি তৃতীয় মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) একটি বন্ধুরাষ্ট্রের মাধ্যমে এ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও চ্যালেঞ্জে পড়ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

ফারস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরান এই প্রস্তাবের কোনো লিখিত জবাব দেয়নি। বরং যুদ্ধে তীব্র হামলা অব্যাহত রেখে এর প্রতিক্রিয়া জানায়।

সূত্রটি আরও জানায়, চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে অবস্থিত মার্কিন সামরিক গুদামে হামলার পর এই তৎপরতা বাড়ায় তারা।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর বিমান হামলা শুরু করে। এতে এখন পর্যন্ত ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ ১ হাজার ৩৪০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

এর জবাবে ইরানও ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালায়। পরে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow