‘যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়’, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে দূত পাঠাচ্ছে চীন

ইরানের ওপর ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে চীন। যুদ্ধ বা শক্তি প্রয়োগ করে কোনো বিরোধের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে খুব শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বিশেষ দূত ঝাই জুন-কে পাঠাচ্ছে চীন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ইতোমধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রাশিয়া, ইরান, ওমান, ফ্রান্স, ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং সকল পক্ষকে দ্রুত বৈঠক ও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে হবে। তিনি পক্ষগুলোকে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলা এবং বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শাসন পরিবর্তন করার প্রচেষ্টাকে চীন অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে। গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে এখন পর্যন্ত ৯৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খা

‘যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়’, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে দূত পাঠাচ্ছে চীন

ইরানের ওপর ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ সামরিক অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে চীন। যুদ্ধ বা শক্তি প্রয়োগ করে কোনো বিরোধের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে খুব শীঘ্রই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের বিশেষ দূত ঝাই জুন-কে পাঠাচ্ছে চীন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ইতোমধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই রাশিয়া, ইরান, ওমান, ফ্রান্স, ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন।

সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং সকল পক্ষকে দ্রুত বৈঠক ও আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে হবে। তিনি পক্ষগুলোকে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলা এবং বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শাসন পরিবর্তন করার প্রচেষ্টাকে চীন অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’তে এখন পর্যন্ত ৯৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৬৮ জন ছাত্রী রয়েছেন। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow