যুদ্ধ-টিকিটের চড়া দামে কুয়েত প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ মাটি
কঠোর পরিশ্রমের পর সাধারণত প্রতি বছর কিংবা দুই-তিন বছর পরপর প্রবাসীরা দেশে ফেরেন পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উড়োজাহাজের টিকিটের আকাশচুম্বী দামের কারণে এবার রমজানের পর কুরবানির ঈদেও দেশে ফেরা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন অসংখ্য কুয়েত প্রবাসী। তবে এই সংকটের মাঝেই কিছুটা আশার বাণী শুনিয়েছে কুয়েত সিভিল এভিয়েশন। যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ পুনঃসংস্কার কাজ শেষে আগামী ১ জুন থেকে পর্যায়ক্রমে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কুয়েতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েত এয়ারলাইন্স এবং জাজিরা এয়ারলাইন্স দাম্মাম হয়ে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কুয়েত-ঢাকা রুটে এই দুটি বিমান সংস্থা সরাসরি সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। কিন্তু যাত্রীর তুলনায় ফ্লাইটের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় তৈরি হয়েছে তীব্র টিকিট সংকট। কুরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও অন্
কঠোর পরিশ্রমের পর সাধারণত প্রতি বছর কিংবা দুই-তিন বছর পরপর প্রবাসীরা দেশে ফেরেন পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উড়োজাহাজের টিকিটের আকাশচুম্বী দামের কারণে এবার রমজানের পর কুরবানির ঈদেও দেশে ফেরা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন অসংখ্য কুয়েত প্রবাসী।
তবে এই সংকটের মাঝেই কিছুটা আশার বাণী শুনিয়েছে কুয়েত সিভিল এভিয়েশন। যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ পুনঃসংস্কার কাজ শেষে আগামী ১ জুন থেকে পর্যায়ক্রমে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কুয়েতে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বিবেচনায় কুয়েত এয়ারলাইন্স এবং জাজিরা এয়ারলাইন্স দাম্মাম হয়ে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় কুয়েত-ঢাকা রুটে এই দুটি বিমান সংস্থা সরাসরি সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
কিন্তু যাত্রীর তুলনায় ফ্লাইটের সংখ্যা অত্যন্ত কম হওয়ায় তৈরি হয়েছে তীব্র টিকিট সংকট। কুরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও অন্য কোনো এয়ারলাইন্সকে এখনো কুয়েত থেকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ফলে যেসব প্রবাসী কুয়েত ও জাজিরা ব্যতীত অন্যান্য বিমানের টিকিট কেটে রেখেছিলেন, অনুমোদন না মেলায় সেগুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
কুয়েত এয়ারলাইন্স বাতিল হওয়া টিকিটগুলো পুনরায় বুকিং করার (রি-বুকিং) সুযোগ দিলেও, আসন সংখ্যার তুলনায় যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় ঈদের আগে অসংখ্য প্রবাসী রি-বুকিং করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এদিকে বাজারে নতুন টিকিটের দাম যেমন চড়া, অন্যদিকে অনেকের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে ছুটি বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ফলে নিরূপায় হয়ে অনেক প্রবাসী টিকিটের টাকা ফেরত (রিফান্ড) নিতে স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সিগুলোতে ভিড় করছেন।
ঈদের বাকি দিনগুলোর মধ্যে অন্য এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি না পেলে এবার হাজারো প্রবাসীর কুরবানির ঈদ করা সম্ভব হবে না।
কুয়েত সিভিল এভিয়েশন ঘোষণা করেছে, নতুন সাজে ও নতুন উদ্যমে বিমানবন্দরে যাত্রী ও সেবা প্রদানকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার নিশ্চিত করে জুন মাস থেকে পুরোপুরিভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার কাজ চলছে। বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত, মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থাগুলো কুয়েত সিভিল এভিয়েশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনছে।
কুয়েত সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, বিমানবন্দর ব্যবহারকালে যাত্রীরা যে কোনো ধরনের হয়রানি, অনিয়ম বা অভিযোগ সরাসরি ‘সাহেল’ অ্যাপের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন।
এমআরএম
What's Your Reaction?