যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনকে যে শর্ত জুড়ে দিল রাশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবারের মতো ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে আমেরিকা, রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা দুই দিনব্যাপী এক  বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।  এই বৈঠক চলাকালীন রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রধান শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে পুনরায় দাবি জানিয়েছে। রাশিয়া বলছে, দনবাস অঞ্চল থেকে সৈন্য না সরালে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি হবে না এবং ইউক্রেনকে সেখান থেকে সরে যেতেই হবে।  অপরদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, বৈঠক দুই দিন ধরে চলবে এবং দনবাস সম্পর্কে আলোচনা হবে। যদিও তিনি পূর্বেই এ ধরনের অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার শর্তে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ দফা শান্তি প্রস্তাব, যা যুদ্ধ বিরতির ধাঁচে প্রস্তুত করা হয়েছে। তাতে রাশিয়ার অনেক দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল; যেমন- ইউক্রেনের লুহান্সক, দোনেৎস্ক ও ক্রিমিয়া অঞ্চলকে কার্যত রুশ নিয়ন্ত্রণাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার

যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনকে যে শর্ত জুড়ে দিল রাশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রথমবারের মতো ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে আমেরিকা, রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা দুই দিনব্যাপী এক  বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে। 

এই বৈঠক চলাকালীন রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রধান শর্ত হিসেবে ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে বলে পুনরায় দাবি জানিয়েছে। রাশিয়া বলছে, দনবাস অঞ্চল থেকে সৈন্য না সরালে কোনো স্থায়ী শান্তি চুক্তি হবে না এবং ইউক্রেনকে সেখান থেকে সরে যেতেই হবে। 

অপরদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, বৈঠক দুই দিন ধরে চলবে এবং দনবাস সম্পর্কে আলোচনা হবে। যদিও তিনি পূর্বেই এ ধরনের অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার শর্তে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ দফা শান্তি প্রস্তাব, যা যুদ্ধ বিরতির ধাঁচে প্রস্তুত করা হয়েছে। তাতে রাশিয়ার অনেক দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল; যেমন- ইউক্রেনের লুহান্সক, দোনেৎস্ক ও ক্রিমিয়া অঞ্চলকে কার্যত রুশ নিয়ন্ত্রণাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর আকার সীমিত করার কথা বলা হয়েছিল, যা কিয়েভ বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক যুদ্ধ বন্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ধাপ হলেও, ভূখণ্ড ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোতে সরাসরি বোঝাপড়া না হলে শান্তি চুক্তি সহজে হবে না। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow