যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে ‘সমঝোতার পথে’ যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক (মেমো) চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। দুদেশের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত একটি পাকিস্তানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।   বুধবার (৬ মে) সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুতই একটি এক পৃষ্ঠার মেমোতে সমঝোতা হতে পারে।   এমন তথ্য আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। গণমাধ্যমটিকে সূত্র বলেছেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই এটি (সমঝোতা স্বাক্ষর) সম্পন্ন করব। আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি আছি।’   প্রতিবেদন বলা হয়েছে, এই মেমোটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি প্রাথমিক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। পরবর্তীতে বিস্তারিত শর্তাবলি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিয়ে আরও আলোচনা হতে পারে।   অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া আশা করছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই উভয় পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা।   বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই সমঝোতা বাস্

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে ‘সমঝোতার পথে’ যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সংক্ষিপ্ত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক (মেমো) চূড়ান্ত হওয়ার পথে রয়েছে। দুদেশের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত একটি পাকিস্তানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।
 
বুধবার (৬ মে) সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুতই একটি এক পৃষ্ঠার মেমোতে সমঝোতা হতে পারে।
 
এমন তথ্য আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এর প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে। গণমাধ্যমটিকে সূত্র বলেছেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই এটি (সমঝোতা স্বাক্ষর) সম্পন্ন করব। আমরা চূড়ান্ত পর্যায়ের খুব কাছাকাছি আছি।’
 
প্রতিবেদন বলা হয়েছে, এই মেমোটি যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি প্রাথমিক কাঠামো হিসেবে কাজ করবে। পরবর্তীতে বিস্তারিত শর্তাবলি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিয়ে আরও আলোচনা হতে পারে।
 
অ্যাক্সিওস প্রতিবেদনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া আশা করছে। এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তবে সূত্রগুলো বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই উভয় পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা।
 
বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হয়, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
 
সূত্র: রয়টার্স।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow