যুদ্ধকালীন ক্ষমতা ছাড়লেন খামেনি

2 months ago 5

ইরানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নিহত হয়েছেন। দেশটির এ হামলার জবাবে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান। চলমান এ যুদ্ধে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধানকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। এরপর নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। 

ইসরায়েলের এ হামলায় ইরানের একের পর এক শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিশানা করায় আগামীর নেতৃত্ব এবং দেশটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খামেনি। 

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সুপ্রিম কাউন্সিলের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দেন। 

সম্প্রতি ইরান ইন্টারন্যাশনাল, হিন্দুস্তান টাইমসএমএসএন.কমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা খামেনি পাঁচ দিন ধরে জনসমক্ষে অনুপস্থিত রয়েছেন। এর মধ্যে তিনি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সুপ্রিম কাউন্সিলের হাতে যুদ্ধকালীন ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনিকে তার ছেলে মোজতবাসহ ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তেহরানের উত্তর-পূর্বে লাভিজানে একটি ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার ইরান সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিবৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে তিনি কোথায় খামেনি লুকিয়ে রয়েছেন তা শনাক্ত করার দাবি করেছেন। ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি একটি সহজ লক্ষ্যবস্তু, কিন্তু সেখানে নিরাপদে আছেন- আমরা তাকে হত্যা করছি না, অন্তত এখন নয়।

পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমরা চাই না ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বেসামরিক নাগরিক বা আমেরিকান সৈন্যদের ওপর হামলা হোক। এরপর তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের ধৈর্য কমে আসছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করলেও, বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ইরান বাস্তবে জরুরি অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষমতা হস্তান্তরকে খামেনির মৃত্যুর ক্ষেত্রে কমান্ডের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Read Entire Article