যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ওয়াশিংটনে বসছে লেবানন-ইসরায়েল
আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মুখোমুখি হবেন লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউনের আহ্বানে এই বৈঠকে অংশ নিতে সম্মত হয়েছে তেলআবিব। তবে ইসরায়েল স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা লেবানিজ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো সংলাপে বসবে না। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জানান, হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করার পরিকল্পনা নেই তাদের। তার দাবি, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা এই সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে বৈঠকের খবর প্রকাশের পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, বর্তমান লেবানিজ সরকার জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করছে না। তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাবেই পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে, লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবারের
আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মুখোমুখি হবেন লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ অউনের আহ্বানে এই বৈঠকে অংশ নিতে সম্মত হয়েছে তেলআবিব।
তবে ইসরায়েল স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা লেবানিজ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করলেও সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো সংলাপে বসবে না।
যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জানান, হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো ধরনের আলোচনা করার পরিকল্পনা নেই তাদের। তার দাবি, দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা এই সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, ইসরায়েলের সঙ্গে বৈঠকের খবর প্রকাশের পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, বর্তমান লেবানিজ সরকার জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব করছে না। তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রভাবেই পরিচালিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবারের ব্যাপক বোমাবর্ষণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৭ জনে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১ হাজার ২২৩ জন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক হামলায় অন্তত ১৮০ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূত এবং বৈরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানেই আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবারের বৈঠকে যুদ্ধবিরতির শর্ত নিয়ে আলোচনা হবে। উভয় পক্ষ একমত হলে পরবর্তীতে সরাসরি আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?