যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের বার্তা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইরানের দৃষ্টিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট তারিখই ছিল না। ফলে তা বাড়ানোরও কোনো প্রশ্ন নেই। এর আগে পাকিস্তানি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছিল, জুনে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সম্মত হয়েছে। তবে ইরানি ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী চুক্তিতে সম্মত হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেটি লঙ্ঘন করে এবং কয়েক দিন পর চুক্তি থেকে সরে যায়। তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বর্তমানে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী চুক্তিতে ফিরে আসা এবং চুক্তির প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণের বিষয় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি বলেও জানান তিনি। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোনো আলোচনায় জড়িত নয় এবং ওয়াশিংটন অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি লঙ্ঘন করলে তে

যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের বার্তা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ইরানের দৃষ্টিতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট তারিখই ছিল না। ফলে তা বাড়ানোরও কোনো প্রশ্ন নেই।

এর আগে পাকিস্তানি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছিল, জুনে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সম্মত হয়েছে।

তবে ইরানি ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী চুক্তিতে সম্মত হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেটি লঙ্ঘন করে এবং কয়েক দিন পর চুক্তি থেকে সরে যায়।

তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বর্তমানে যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী চুক্তিতে ফিরে আসা এবং চুক্তির প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণের বিষয় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি হয়নি বলেও জানান তিনি।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কোনো আলোচনায় জড়িত নয় এবং ওয়াশিংটন অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি লঙ্ঘন করলে তেহরানও আলোচনা শুরু করবে না। এখন শুধু পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, চুক্তিটিতে ৬০ দিনের সময়সীমা বলতে এমন একটি সময়কালকে বোঝানো হয়েছে, যার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা ছিল। এই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভাগ্যসহ বৃহত্তর বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

পরবর্তী আলোচনা পর্বে প্রবেশের আগে লেবাননে যুদ্ধবিরতি, উপসাগরে অবাধ নৌচলাচল এবং ইরানকে তার তেল বিক্রির ক্ষেত্রে ছাড়ের মতো একাধিক শর্ত ছিল চুক্তিতে।

তবে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতবিরোধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অচলাবস্থায় পড়েছে। তেহরান বলছে, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র তার আচরণ পরিবর্তন করছে এবং যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইরানের শর্তগুলো মেনে নিচ্ছে, ততক্ষণ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ থাকবে।

সূত্র : রয়টার্স

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow