যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রে স্থগিত শতবর্ষী ‘জোন্স অ্যাক্ট’
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরগুলোতে জ্বালানি ও কৃষিপণ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তবে এই সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ১০৬ বছর পুরোনো ‘জোন্স অ্যাক্ট’ সাময়িকভাবে শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লিয়াভিট বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষার স্বার্থে সীমিত সময়ের জন্য জোন্স অ্যাক্ট স্থগিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পণ্য ও কৃষি প্রয়োজনীয়তা নির্বিঘ্নে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে পৌঁছাতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হয়নি। হোয়াইট হাউসের আরেক কর্মকর্তা বলেন, সম্ভাব্য এই ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ১৯২০ সালের মার্চেন্ট মেরিন অ্যাক্ট-১৯২০ এর ধারা ২৭ হিসেবেই পরিচিত ‘জোন্স অ্যাক্ট’। এই ‘জোন্স অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এক বন্দর থেকে অন্য বন্দরে জলপথে পণ্য পরিবহন করতে হলে সেই জাহাজ অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত, যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী এব
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরগুলোতে জ্বালানি ও কৃষিপণ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তবে এই সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ১০৬ বছর পুরোনো ‘জোন্স অ্যাক্ট’ সাময়িকভাবে শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লিয়াভিট বলেন, জাতীয় প্রতিরক্ষার স্বার্থে সীমিত সময়ের জন্য জোন্স অ্যাক্ট স্থগিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পণ্য ও কৃষি প্রয়োজনীয়তা নির্বিঘ্নে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে পৌঁছাতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হয়নি।
হোয়াইট হাউসের আরেক কর্মকর্তা বলেন, সম্ভাব্য এই ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে কোনো প্রভাব ফেলবে না।
১৯২০ সালের মার্চেন্ট মেরিন অ্যাক্ট-১৯২০ এর ধারা ২৭ হিসেবেই পরিচিত ‘জোন্স অ্যাক্ট’। এই ‘জোন্স অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের এক বন্দর থেকে অন্য বন্দরে জলপথে পণ্য পরিবহন করতে হলে সেই জাহাজ অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত, যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী এবং মার্কিন নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের মালিকানাধীন ও পরিচালিত হতে হবে।
যদি আইনটি সাময়িকভাবে শিথিল করা হয় তাহলে জ্বালানী ও কৃষিপণ্য সরবরাহে ঘাটতি পূরণে বিদেশি জাহাজও যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে পণ্য পরিবহন করতে পারবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-মার্কিন বাহিনী ইরানের যৌথ হামলা চালায়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানির এক পঞ্চমাংশ রপ্তানি হয়ে থাকে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
কেএম
What's Your Reaction?