যুবকের উদ্যোগে মাদককারবারি গ্রেপ্তার, ধন্যবাদ জানালেন নুরুদ্দিন অপু
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে এক মাদককারবারিকে মোহাম্মদ জুয়েল ঢালী নামের এক যুবক এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সাহসী ভূমিকার জন্য নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুয়েল ঢালীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। গ্রেপ্তার মাদককারবারি মো. জাকির দেওয়ান উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের হলইপট্টি গ্রামের মকফর দেওয়ানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ জুয়েল ঢালী এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জাকির দেওয়ানকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই ব্যক্তি গোপনে ইয়াবার কারবার করে স্থানীয় যুবসমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছিলেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু ওই যুবককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি লেখেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে। নাগেরপাড়ার সাহসী সন্তান মোহাম্মদ জুয়েল ঢালীর উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের প্রত
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে এক মাদককারবারিকে মোহাম্মদ জুয়েল ঢালী নামের এক যুবক এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সাহসী ভূমিকার জন্য নাগেরপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুয়েল ঢালীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
গ্রেপ্তার মাদককারবারি মো. জাকির দেওয়ান উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের হলইপট্টি গ্রামের মকফর দেওয়ানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ জুয়েল ঢালী এলাকাবাসীর সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত জাকির দেওয়ানকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই ব্যক্তি গোপনে ইয়াবার কারবার করে স্থানীয় যুবসমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছিলেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু ওই যুবককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি লেখেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সাহসী ভূমিকা রাখতে হবে। নাগেরপাড়ার সাহসী সন্তান মোহাম্মদ জুয়েল ঢালীর উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের প্রতিটি সচেতন নাগরিক যদি এভাবে এগিয়ে আসে, তাহলে মাদক ও অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব।
তিনি আরও লেখেন, মাদক ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে এবং যুবসমাজকে রক্ষায় সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক সমাজই পারে অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে।
নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়— সচেতন নাগরিক সমাজই পারে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে।
What's Your Reaction?