যুবদল নেতা হত্যার পর দাসপাড়ায় হামলা, গ্রেপ্তার ৪
রংপুর নগরীতে মাদক কারবারের বিরোধ নিয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার পর ‘মুখ না খোলার’ অভিযোগ তুলে ঘটনাস্থল দাসপাড়ায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর মহানগর পুলিশের নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ বিন কাশেম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় গত শনিবার রাতে সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়। পরে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নগরের নূরপুর এলাকার মো. শান্ত (২১), দক্ষিণ কামাল কাছনা এলাকার আশিক ইসলাম (২২) ও তার ভাই রাতুল ইসলাম (২০) এবং একই এলাকার নাহিদ ইসলাম (২৩)। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর দাসপাড়া মোড়ে রাকিব হাসান (২৩) নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রাকিব কামাল কাছনা এলাকার এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি মহানগর যুবদলের ২৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও বর্তমান প্রস্তাবিত কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক। হত্যাকাণ্ডের জেরে পরদিন শুক্রবার রাতে হত্যার ঘটনাস্থল দা
রংপুর নগরীতে মাদক কারবারের বিরোধ নিয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার পর ‘মুখ না খোলার’ অভিযোগ তুলে ঘটনাস্থল দাসপাড়ায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর মহানগর পুলিশের নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল্লাহ বিন কাশেম বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, হামলার ঘটনায় গত শনিবার রাতে সন্দেহভাজন চারজনকে আটক করা হয়। পরে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নগরের নূরপুর এলাকার মো. শান্ত (২১), দক্ষিণ কামাল কাছনা এলাকার আশিক ইসলাম (২২) ও তার ভাই রাতুল ইসলাম (২০) এবং একই এলাকার নাহিদ ইসলাম (২৩)।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর দাসপাড়া মোড়ে রাকিব হাসান (২৩) নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রাকিব কামাল কাছনা এলাকার এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি মহানগর যুবদলের ২৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও বর্তমান প্রস্তাবিত কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক।
হত্যাকাণ্ডের জেরে পরদিন শুক্রবার রাতে হত্যার ঘটনাস্থল দাসপাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় অন্তত ২০টি দোকানের শাটার এবং কমপক্ষে ১০টি বাড়ির গেট, জানালা ও বেড়ার টিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদকসংক্রান্ত একটি বিষয় আছে। পারিবারিক একটি ইস্যুও চলে এসেছে। আমরা সবগুলো কারণ খতিয়ে দেখছি।
তিনি আরও বলেন, দাসপাড়ার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে। এলাকার মানুষ যাতে নিরাপত্তাহীনতায় না থাকে, এজন্য দিন-রাত পুলিশের টহল থাকবে।
What's Your Reaction?