যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে দফায় দফায় নির্যাতিত ও ত্যাগী ছাত্রনেতা সাজিদ হাসান বাবু। তাকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ এবং ভয়াবহ পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন সাজিদ হাসান বাবু। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় গাবতলীতে পুলিশ ও আওয়ামী ছাত্রলীগের দ্বারা ব্যাপক মারধরের শিকার হন বাবু।  সেসময় তার দুই পা বিশেষ করে ডান পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়েছে। ত্যাগ ও আনুগত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ দলের হাইকমান্ড তাকে যুবদলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। জানা যায়, সাজিদ হাসান বাবু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে থেকে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং দলীয় কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে তিনি বহুবার হা

যুবদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন নির্যাতিত নেতা সাজিদ হাসান বাবু

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় দায়িত্ব পেয়েছেন বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে দফায় দফায় নির্যাতিত ও ত্যাগী ছাত্রনেতা সাজিদ হাসান বাবু। তাকে যুবদলের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ এবং ভয়াবহ পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন সাজিদ হাসান বাবু। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি পালনের সময় গাবতলীতে পুলিশ ও আওয়ামী ছাত্রলীগের দ্বারা ব্যাপক মারধরের শিকার হন বাবু। 

সেসময় তার দুই পা বিশেষ করে ডান পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয়েছে। ত্যাগ ও আনুগত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ দলের হাইকমান্ড তাকে যুবদলের এই গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

জানা যায়, সাজিদ হাসান বাবু দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে থেকে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং দলীয় কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে তিনি বহুবার হামলা, মামলা ও হুলিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন।

যুবদলের একাধিক নেতাকর্মী জানান, বিগত দিনগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক অসংখ্য মামলার আসামি হয়েছেন তিনি। রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে গুরুতর আহত এবং দীর্ঘ সময় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

দলের প্রতি চরম সংকটেও তার অবিচল নিষ্ঠা তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে তাকে একজন সাহসী ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলের ভেতরে-বাইরে সুযোগাযোগ বজায় রাখার ক্ষমতার কারণেই তাকে "যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক"-এর মতো সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর সাজিদ হাসান বাবু দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দল আমার ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করেছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি তা সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করব। যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে এবং রাজপথের যেকোনো লড়াই-সংগ্রামে আমি অতীতেও যেমন ছিলাম, আগামীতেও তেমন অগ্রভাগে থাকব।

সাধারণ কর্মীদের মতে, বাবুর মতো পরীক্ষিত ও নির্যাতিত নেতাদের মূল্যায়ন করার মাধ্যমে যুবদল আগামী দিনে যেকোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow