যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
ভুয়া কাজি ডেকে বিয়ে ও দীর্ঘ চার বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে জামালপুরের তিতপল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় ওই নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম (৩৬) তিতপল্লা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং একই ইউনিয়নের পুগলই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। বিবাহিত শফিক তিন সন্তানের জনক। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে শফিকুল ইসলাম বন্ধুদের সহায়তায় এক ভুয়া কাজি ডেকে ওই তরুণীকে বিয়ের নাটক করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা মেলামেশা করে আসছিলেন। গত রোববার দুপুরে তিতপল্লা বাসস্ট্যান্ডে শফিকের নিজস্ব ইলেকট্রনিকসের দোকানে ওই তরুণীকে নিয়ে অন্তরঙ্গ অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন তিনি। জনতা বিয়ের বৈধতা জানতে চাইলে শফিক ওই তরুণীকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন। ভুক্তভোগী তরুণী সাংবাদিকদের বলেন, বিয়ের নামে প্রতারণা করে দীর্ঘ চার বছরে আমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনবার গর্ভবতী হলেও শফিকের চাপে ভ্রূণ নষ্ট করতে বাধ্য হই। শফিকের বন্ধু পল্লী চি
ভুয়া কাজি ডেকে বিয়ে ও দীর্ঘ চার বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে জামালপুরের তিতপল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় ওই নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃত শফিকুল ইসলাম (৩৬) তিতপল্লা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং একই ইউনিয়নের পুগলই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। বিবাহিত শফিক তিন সন্তানের জনক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে শফিকুল ইসলাম বন্ধুদের সহায়তায় এক ভুয়া কাজি ডেকে ওই তরুণীকে বিয়ের নাটক করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তারা মেলামেশা করে আসছিলেন। গত রোববার দুপুরে তিতপল্লা বাসস্ট্যান্ডে শফিকের নিজস্ব ইলেকট্রনিকসের দোকানে ওই তরুণীকে নিয়ে অন্তরঙ্গ অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন তিনি। জনতা বিয়ের বৈধতা জানতে চাইলে শফিক ওই তরুণীকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন।
ভুক্তভোগী তরুণী সাংবাদিকদের বলেন, বিয়ের নামে প্রতারণা করে দীর্ঘ চার বছরে আমাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তিনবার গর্ভবতী হলেও শফিকের চাপে ভ্রূণ নষ্ট করতে বাধ্য হই। শফিকের বন্ধু পল্লী চিকিৎসক হাফিজ মিয়া এই কাজে সহায়তার জন্য ওষুধ সরবরাহ করতেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। তরুণী অভিযুক্ত শফিক ও তার সহযোগী হাফিজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জামালপুর সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওই তরুণী ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে আসামি শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের ব্যাপারেও তদন্ত চলছে।
What's Your Reaction?