যে কারণে কাফনের কাপড় সঙ্গে রাখেন লাকি আলী

বলিউডের ঝলমলে দুনিয়া থেকে অনেক আগেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন লাকি আলী। প্রচার ও বাণিজ্যিক ব্যস্ততার বাইরে বেছে নিয়েছেন অনেকটা স্বাধীন ও যাযাবর জীবন। তবে সংগীত থেকে দূরে যাননি। দেশ-বিদেশে নিয়মিত কনসার্টে গান গেয়ে এখনো ভক্তদের মাতিয়ে রাখেন এই শিল্পী। আরও পড়ুন বড় কোনো ডিগ্রি নেই, তবু জীবনের মঞ্চে সফল যেসব তারকা সম্প্রতি এক কনসার্টে গান গাওয়ার ফাঁকে মৃত্যুচিন্তা নিয়ে কথা বলেন ৬৭ বছর বয়সী লাকি আলী। তার কথায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত ভক্তরা। শিল্পী জানান, মৃত্যুর জন্য তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত। এমনকি ভ্রমণে বের হলে সঙ্গে রাখেন কাফনের কাপড়ও। কনসার্টে ভক্তদের ভালোবাসার জবাবে লাকি আলী বলেন, ‘আমিও তোমাদের সবাইকে ভীষণ ভালোবাসি। একদিন আমাদের সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমি তোমাদের সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করছি না, তবে সত্যি বলতে আমি নিজে পুরোপুরি প্রস্তুত।’ এরপর তিনি বলেন, ‘আমি যখনই কোথাও ভ্রমণে বের হই, আমার এহরামের কাপড় সঙ্গে রাখি, যেটা জড়িয়ে আমাকে দাফন করা হবে। আমি যেখানেই মারা যাই না কেন, সেখান থেকেই যেন স্বাচ্ছন্দ্যে বিদায় নিতে পারি।’ লাকি আলীর এমন কথায় কনসার্টে উপস্থিত ভক্তরা

যে কারণে কাফনের কাপড় সঙ্গে রাখেন লাকি আলী

বলিউডের ঝলমলে দুনিয়া থেকে অনেক আগেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন লাকি আলী। প্রচার ও বাণিজ্যিক ব্যস্ততার বাইরে বেছে নিয়েছেন অনেকটা স্বাধীন ও যাযাবর জীবন। তবে সংগীত থেকে দূরে যাননি। দেশ-বিদেশে নিয়মিত কনসার্টে গান গেয়ে এখনো ভক্তদের মাতিয়ে রাখেন এই শিল্পী।

সম্প্রতি এক কনসার্টে গান গাওয়ার ফাঁকে মৃত্যুচিন্তা নিয়ে কথা বলেন ৬৭ বছর বয়সী লাকি আলী। তার কথায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপস্থিত ভক্তরা।

শিল্পী জানান, মৃত্যুর জন্য তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত। এমনকি ভ্রমণে বের হলে সঙ্গে রাখেন কাফনের কাপড়ও।

কনসার্টে ভক্তদের ভালোবাসার জবাবে লাকি আলী বলেন, ‘আমিও তোমাদের সবাইকে ভীষণ ভালোবাসি। একদিন আমাদের সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমি তোমাদের সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত করছি না, তবে সত্যি বলতে আমি নিজে পুরোপুরি প্রস্তুত।’

এরপর তিনি বলেন, ‘আমি যখনই কোথাও ভ্রমণে বের হই, আমার এহরামের কাপড় সঙ্গে রাখি, যেটা জড়িয়ে আমাকে দাফন করা হবে। আমি যেখানেই মারা যাই না কেন, সেখান থেকেই যেন স্বাচ্ছন্দ্যে বিদায় নিতে পারি।’

লাকি আলীর এমন কথায় কনসার্টে উপস্থিত ভক্তরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে সেই মুহূর্তের ভিডিও নিজেই ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন এই শিল্পী। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কমেন্টে ভক্তরা তার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে নিজেদের জীবনে লাকি আলীর গান ও সংগীতের প্রভাবের কথাও স্মরণ করেন অনেকে।

নব্বইয়ের দশকে ইন্ডি-পপ ও বলিউডের মেলোডি গানে নিজস্ব একটি ধারা তৈরি করেন লাকি আলী। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুনো’। এই অ্যালবামের ‘ও সানাম’ গানটি তাঁকে এনে দেয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

এরপর ‘সিফার’, ‘গোরি তেরি আঁখে’ ও ‘কাভি অ্যায়সা লাগতা হ্যায়’-এর মতো অ্যালবাম ও গানও শ্রোতাদের কাছে ব্যাপক সাড়া পায়।

বলিউডের প্লেব্যাকেও সফল ছিলেন লাকি আলী। তার কণ্ঠে ‘এক পল কা জিনা’, ‘না তুম জানো না হাম’, ‘আ ভি জা’, ‘জানে ক্যায়া ঢুন্ডতা হ্যায়’, ‘আহিস্তা’ ও ‘সফরনামা’র মতো গান শ্রোতাদের কাছে এখনো জনপ্রিয়।

তবে ২০১৫ সালের পর ধীরে ধীরে বলিউডের প্লেব্যাক থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। মনোযোগ দেন স্বাধীন সংগীতে।

এক সাক্ষাৎকারে ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার কারণও জানিয়েছিলেন লাকি আলী। তার ভাষ্য, বাণিজ্যিক সিনেমায় কাজের একঘেয়েমি এবং বাবা কিংবদন্তি অভিনেতা মেহমুদের মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া শূন্যতা তাকে ইন্ডাস্ট্রি থেকে দূরে সরে যেতে প্রভাবিত করে। একই সঙ্গে বলিউডের কাজের পরিবেশের সঙ্গেও নিজেকে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না তিনি।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow