যে কারণে জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করলো রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ইউক্রেনের ড্রোন প্রস্তুতকারকের সঙ্গে বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে একটি জাপানি কোম্পানি। এই চুক্তির কারণে জাপানের রাষ্ট্রদূত আকিরা মোতো-কে তলব করেছে রাশিয়া এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়েছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আজ জাপানের রাষ্ট্রদূতকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। টোকিওভিত্তিক টেররা ড্রোন করপোরেশন এবং ইউক্রেনের একটি আক্রমণাত্মক ড্রোন প্রস্তুতকারকের মধ্যে বিনিয়োগ চুক্তিসংক্রান্ত রিপোর্টের কারণে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। জাখারোভা আরও বলেন, এই ধরনের বিনিয়োগ চুক্তি রাশিয়ার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে এই ধরনের কার্যক্রমকে নিন্দনীয় মনে করছে। প্রসঙ্গত, ইউক্রেনের ড্রোন শিল্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সংস্থার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার নজরদারি অনুসারে, যেকোনো বিদেশি বিনিয়োগ যা সামরিক বা আক্রমণাত্মক ড্রোন উৎ

যে কারণে জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করলো রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ইউক্রেনের ড্রোন প্রস্তুতকারকের সঙ্গে বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে একটি জাপানি কোম্পানি। এই চুক্তির কারণে জাপানের রাষ্ট্রদূত আকিরা মোতো-কে তলব করেছে রাশিয়া এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আজ জাপানের রাষ্ট্রদূতকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। টোকিওভিত্তিক টেররা ড্রোন করপোরেশন এবং ইউক্রেনের একটি আক্রমণাত্মক ড্রোন প্রস্তুতকারকের মধ্যে বিনিয়োগ চুক্তিসংক্রান্ত রিপোর্টের কারণে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

জাখারোভা আরও বলেন, এই ধরনের বিনিয়োগ চুক্তি রাশিয়ার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। রাশিয়া স্পষ্টভাবে এই ধরনের কার্যক্রমকে নিন্দনীয় মনে করছে।

প্রসঙ্গত, ইউক্রেনের ড্রোন শিল্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি সংস্থার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রাশিয়ার নজরদারি অনুসারে, যেকোনো বিদেশি বিনিয়োগ যা সামরিক বা আক্রমণাত্মক ড্রোন উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তা সরাসরি তাদের নিরাপত্তা উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

এই ঘটনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশেষ করে রাশিয়া-জাপান সম্পর্ক কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ শুরু করে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। সেই দিন থেকে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলকে লক্ষ্য করে স্থল, নৌ ও বিমান হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে পুরো দেশব্যাপী যুদ্ধের দিকে গিয়েছে।

সূত্র: তাস

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow